শিরোনাম
◈ দুর্বৃত্তের গুলিতে মিরপুরে যুবদল কর্মী নিহত, পথচারী গুলিবিদ্ধ ◈ মতিঝিলে নিষ্ক্রিয় করা বোমা ছিল আইআইডি: ডিএমপি ◈ ‘মেয়েটি গাজী নজরুলের সেবা করতে চেয়েছিল’, জামায়াতের আরেক এমপি (ভিডিও) ◈ স্বাধীনতার পর ১৮ রাষ্ট্রপতির মধ্যে মাত্র ৮ জন শেষ করেছেন পূর্ণ মেয়াদ ◈ রাষ্ট্রপতি পদ ছাড়ার পর কী কী সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন? ◈ দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে: ইসি মাছউদ ◈ ভারতীয় নাগরিকদের ভিসামুক্ত সুবিধা প্রত্যাহার, নতুন নিয়ম ৪ দেশে ◈ প্রথমবারের মতো দেশেই নির্মিত হচ্ছে সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ ◈ মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচে ছাতার ভেতরে মিলল বোমা ◈ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগে জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেছে: শফিকুর রহমান

প্রকাশিত : ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:২২ রাত
আপডেট : ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রফতানিকারকদের জন্য ইডিএফ ঋণে নতুন বিধিনিষেধ

রফতানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রফতানি আয় দেশে প্রত্যাবাসন করতে ব্যর্থ রপ্তানিকারক কিংবা যাদের ইডিএফের বকেয়া দায় পরবর্তীতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সাধারণ ঋণের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে, তারা আর ইডিএফের অর্থায়ন সুবিধা পাবেন না।

একই সঙ্গে ইডিএফ-সংক্রান্ত এতদিনের বিচ্ছিন্ন নির্দেশনাগুলো একত্র করে একটি সমন্বিত মাস্টার সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন সার্কুলারে সুদহার, ঋণের মেয়াদ, পুনরর্থায়ন, অর্থায়নের সীমা এবং পরিচালনাগত বিভিন্ন বিধান হালনাগাদ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ইডিএফ ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হবে ছয় মাসের বেঞ্চমার্ক হারের ভিত্তিতে। বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বেঞ্চমার্ক হারের সঙ্গে অতিরিক্ত ০ দশমিক ৫০ শতাংশ সুদে এ তহবিল সরবরাহ করবে। আর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো রফতানিকারকদের কাছ থেকে বেঞ্চমার্ক হারের সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত সুদ আদায় করতে পারবে।

ইডিএফ ঋণ পরিশোধের সাধারণ মেয়াদ ১৮০ দিন অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

মাস্টার সার্কুলারে ইডিএফ সুবিধা গ্রহণের যোগ্যতার শর্ত আরও কঠোর করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রফতানি আয় দেশে ফিরিয়ে আনতে না পারা রফতানিকারক কিংবা যাদের ইডিএফ দায় বাণিজ্যিক ব্যাংকের সাধারণ ঋণের মাধ্যমে সমন্বয় করা হয়েছে, তারা নতুন করে এই তহবিলের সুবিধা নিতে পারবেন না।

তবে আটকে থাকা রফতানি আয় দেশে প্রত্যাবাসন করা হলে অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিসকাউন্ট কমিটির মাধ্যমে অব্যাহতি পেলে সংশ্লিষ্ট রফতানিকারক পুনরায় ইডিএফ সুবিধার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।

ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র (এলসি) এবং বাল্ক আমদানির ক্ষেত্রে আগের অর্থায়ন সীমা বহাল রাখা হয়েছে। খাতভেদে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির আওতায় সর্বোচ্চ ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পর্যন্ত অর্থায়নের সুযোগ থাকবে। অপরদিকে, বাল্ক আমদানির ক্ষেত্রে অর্থায়নের সীমা সর্বনিম্ন ১০ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ২ কোটি মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে নতুন সার্কুলারে একটি অতিরিক্ত সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে খাত নির্বিশেষে যেকোনও যোগ্য বাল্ক আমদানির বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ইডিএফ পুনরর্থায়ন সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে যেসব ব্যবসায়ী একই সঙ্গে বাল্ক ও ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানি করেন, তারা কেবল একটি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের নির্ধারিত অর্থায়ন সীমার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এতদিন বিভিন্ন সময়ে পৃথক পৃথক সার্কুলারের মাধ্যমে ইডিএফ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি হওয়ায় বাস্তবায়নে বিভ্রান্তি তৈরি হতো। নতুন মাস্টার সার্কুলারের মাধ্যমে সব নির্দেশনা এক জায়গায় নিয়ে আসায় ঋণ আবেদন, মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন এবং তহবিল পরিচালনার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে। একই সঙ্গে রফতানি আয় সময়মতো দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে রপ্তানিকারকদের জবাবদিহিও বাড়বে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়