শিরোনাম
◈ নারী শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব, রিবা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কারে বিশ্বের সেরা নতুন ভবন রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি ◈ ইনানী রিসোর্টে আগুন: ফজরের পর সৈকতে গিয়ে বাঁচলেন দুই বান্ধবী, প্রাণ গেল মুক্তার ◈ আ‌লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ম‌্যান‌চেস্টার সিটির জয় ◈ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন, আবেদন শুরু ১ নভেম্বর ◈ কুমিল্লায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন : পুলিশ সুপার ◈ দেশ গঠনে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৭, ১৩ নারী ও ১ শিশু ◈ ভোটার তালিকা হালনাগাদ ২০২৬: খসড়া প্রকাশ ৫ নভেম্বর, চূড়ান্ত তালিকা ২৫ নভেম্বর ◈ সৌদি আরবের আইনে সাজা হলে সরকারের কিছু করার থাকে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ◈ মাদকের আস্তানায় অস্ত্র হাতে অভিযান নিয়ে যা বললেন ইশরাক

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:০০ রাত
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে, অর্থাৎ ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র্রের সঙ্গে অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড সই করে বাংলাদেশ। এতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্য রফতানিতে শুল্ক কমে দাঁড়ায় ১৯ শতাংশে। বিপরীতে দেশটি থেকে তুলা ও বোয়িং আমদানিসহ নানা শর্ত যুক্ত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য কোনো দেশ থেকে পণ্য আমদানিতে নিয়ন্ত্রণের কথাও আছে চুক্তিতে।

এর মধ্যে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দুই সপ্তাহ যেতে না যেতেই ঢাকা সফর করেন দক্ষিণ এশিয়ার দায়িত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর। সফরেও ঘুরে ফিরে আসে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গ।

পল কাপুরের সাথে বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দাবি করেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদলের সম্মতিতেই সই হয়েছিল এই চুক্তি।

চুক্তিটি চূড়ান্ত অনুমোদনে ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত। মধ্যপ্রাচ্যসহ বর্তমান বাস্তবতায় এই সময় বাড়ানো এবং চুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনা করা যায় কিনা, সেই পরামর্শ দিচ্ছেন অনেকে।

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন কবীর বলেছেন, ৬০ দিনের যে বাধ্যবাধকতা আছে, এটা বাড়ানোর জন্য তাদেরকে অনুরোধ করতে পারে বাংলাদেশ। সেই সুযোগ আমাদের সামনে আছে বলে আমি মনে করি। বিষয়টি যেহেতু আমাদের জাতীয় স্বার্থের সাথে সম্পৃক্ত, অন্যান্য দেশের সাথে আমাদের সম্পর্কের মৌলিক ভিত্তিগুলোর সাথে সম্পৃক্ত, সেহেতু সংসদে এটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা হওয়া খুব জরুরি বলে আমি মনে করছি।

পলিসি একচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ বললেন, চুক্তিতে কিছু শর্ত আছে, যা বাংলাদেশের নীতি প্রণয়নের স্বাধীনতার সাথে স্ববিরোধী কিংবা বাংলাদেশের বৈশ্বিক সহযোগিতায় ফ্লেক্সিবিলিটি ও স্বাধীনতার সাথে বিরোধপূর্ণ। কূটনৈতিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে শর্ত পরিবর্তন করা যায়, সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যাবে না। সমাধানটা হবে আমেরিকার সাথে কূটনৈতিক বোঝাপড়ায়।

রমজানে মাত্র দুইদিনের জন্য বসেছিল জাতীয় সংসদের অধিবেশন। আসছে রোববার আবার শুরু হচ্ছে সংসদ। প্রশ্ন হচ্ছে, বহুল আলোচিত চুক্তিটি কি উঠছে সংসদের আলোচনায়?

এ নিয়ে সম্প্রতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সাধারণ মানুষ ও বেসরকারি খাত— সবই এই বাণিজ্য ও অন্যান্য চুক্তির মাধ্যমে প্রভাবিত হবে। সুতরাং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করে প্রত্যেকটা চুক্তি আমরা বাস্তবায়নে যাব। তার আগে এটা নিয়ে অবশ্যই আলোচনা হবে। 

সরকারের দাবি, 'সবার আগে বাংলাদেশ' এই নীতিতে অটুট থেকে জাতীয় স্বার্থরক্ষাই তাদের অগ্রাধিকার।  উৎস: যমুনা টেলিভিশন।

 

  • সর্বশেষ