শিরোনাম
◈ নারী শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব, রিবা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কারে বিশ্বের সেরা নতুন ভবন রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি ◈ ইনানী রিসোর্টে আগুন: ফজরের পর সৈকতে গিয়ে বাঁচলেন দুই বান্ধবী, প্রাণ গেল মুক্তার ◈ আ‌লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ম‌্যান‌চেস্টার সিটির জয় ◈ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন, আবেদন শুরু ১ নভেম্বর ◈ কুমিল্লায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন : পুলিশ সুপার ◈ দেশ গঠনে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৭, ১৩ নারী ও ১ শিশু ◈ ভোটার তালিকা হালনাগাদ ২০২৬: খসড়া প্রকাশ ৫ নভেম্বর, চূড়ান্ত তালিকা ২৫ নভেম্বর ◈ সৌদি আরবের আইনে সাজা হলে সরকারের কিছু করার থাকে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ◈ মাদকের আস্তানায় অস্ত্র হাতে অভিযান নিয়ে যা বললেন ইশরাক

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সোনার দামে দীর্ঘমেয়াদি পতনের ইঙ্গিত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারেও। ট্রেডারদের মতে, যদি সোনার দাম প্রতি আউন্স ৪,১০০ মার্কিন ডলারের ওপরে স্থিতিশীল থাকতে না পারে, তাহলে এটিকে দীর্ঘমেয়াদি নিম্নমুখী প্রবণতার সূচনা হিসেবে ধরা যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি চলতি সপ্তাহেই দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) সোনার দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে প্রতি আউন্স ৪,৩০০ ডলারের নিচে নেমে আসে, যা ২০২৬ সালের মধ্যে সর্বনিম্ন। ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি হুমকির কারণে এই পতন ঘটেছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দেন, অন্যথায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দেন। এর জবাবে ইরানও হুমকি দেয়, তারা প্রণালিটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট আর্থিক ও সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করবে। এতে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

থাইল্যান্ডের স্বনামধন্য গোল্ড ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান হুয়া সেং হেং-এর এক কর্মকর্তা জানান, বাজারে বর্তমানে ৪,২৩৫ ও ৪,১০০ ডলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ স্তর হিসেবে কাজ করছে। যদি দাম ৪,১০০ ডলারের নিচে নেমে যায়, তাহলে দীর্ঘ সময় ধরে দাম কমার প্রবণতা দেখা যেতে পারে। তিনি মনে করেন, বছরের শেষে দাম ৪,০০০ ডলারের নিচেও নেমে যেতে পারে।

থাইল্যান্ডের স্থানীয় বাজারেও সোনার দর কমেছে। প্রতি বাহাত-ওজন সোনার দাম ৭০ হাজার বাথের নিচে নেমে ৬৫ হাজার বাথে লেনদেন হয়েছে এবং দিনে বহুবার দামের ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে।
যদিও সোনা সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত, তবুও গত সপ্তাহে এর দাম ১০ শতাংশের বেশি কমেছে। বৈশ্বিক সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এই পতনে ভূমিকা রেখেছে। বাজারে ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছর সুদের হার বাড়াতে পারে।

তবে গোল্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, সোনার দাম আরও ১০০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত কমতে পারে। তিনি বিনিয়োগকারীদের অযথা জল্পনামূলক লেনদেন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। যদিও তার মতে, দাম ৪,০০০ ডলারের নিচে নামার সম্ভাবনা কম এবং দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজার ঊর্ধ্বমুখীই থাকবে।

  • সর্বশেষ