শিরোনাম
◈ ইউরোপজুড়ে রাজপথে জেন-জি, কেন বাড়ছে তরুণদের ক্ষোভ? ◈ আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশিরা ◈ নিলামে শরিফুলকে পেতে ২ কোটি ৩০ লাখ সিটিজেনস ব্যাংকের, তাসকিনকে ওয়ালটনের ২ কোটি ১০ লাখ  ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশে মোস্তাফিজ, খেলবেন রিশাদও ◈ জ্বালানি নিরাপত্তা ও উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নে যাত্রী সংকটে আঞ্চলিক বিমানবন্দর ◈ ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে একযোগে বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি ◈ নেতানিয়াহু ক্ষমতা হারালে কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত? ◈ তানজিম সাকিবের নাম তোলা হয়‌নি ডি থ্রি ট্রফির নিলামে ◈ খাদ্যশস্য সংরক্ষণে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:০২ রাত
আপডেট : ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নানা সংকট ও শূন্যতায় কক্সবাজারের পর্যটন, ভরসা প্রকৃতি

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : নানা সংকট আর শূন্যতায় ভুগছে কক্সবাজারের পর্যটন খাত। নাই নিরাপত্তা, নাই নিরাপদ আবাসন ব্যবস্থা, নাই গোসলের নিরপাদ জোন চিহ্নিত করা, নাই পর্যাপ্ত লাইফ গার্ড ও দমকল বাহিনীর লোকবল, নাই ডুবুরি দল, নাই  প্রশাসনিক সমন্বয়, নাই সুষম পরিবেশ, নাই  নিরাপদ খাদ্যব্যবস্থা, এমনকি নাই পেশাদারিত্বের প্রতিফলন। চারিদিকের এতসব নাই এর বিপরীতে কক্সবাজারের পর্যটন চলছে শুধু প্রকৃতির ভরসায়। এমনটাই দাবী করছেন কক্সবাজারের হোটেল মোটেল মালিক ও পর্যটন সেবী সহ খোদ স্থানীয় সংসদ সদস্য। 

সংশ্লিষ্টদের এই দাবির বাস্তব ও নির্মম প্রতিফলন দেখা গেছে গেল এক সপ্তাহে। গেল ১৭ অক্টোবর ইনানী পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্টের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১ জন। এর ৪ দিন পরেই গেল ২১ অক্টোবর হিমছড়ির জাদুঘর সংলগ্ন সমুদ্র  সৈকতে গোসলে নেমে ৫ জন পর্যটকের প্রাণহানি ঘটে। 

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, পর্যটন করপোরেশন ও স্থানীয়  লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পর্যটন রাজধানী হিসেবে খ্যাত কক্সবাজার জেলায় কমপক্ষে ৫০টি অধিক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। বিশাল সমুদ্র আর পাহাড়ে ঘেরা এই শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কোলঘেষেই  নাজিরারটেকে দেশের বৃহৎ শুটকি পল্লী, নুনিয়াছড়ায় রয়েছে মিনি সুন্দরবন। হাতের নাগালেই খুরুশকুলে গড়ে উঠেছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ জলবায়ু উদ্ধাস্তুদের আশ্রয়ন। এর পাশ দিয়ে ১০/ ১৫ মিনিট উত্তরে এগুলেই দেখা মিলবে  দেশের প্রথম বায়ু  বিদ্যুৎ প্রকল্প। তার সামনের চৌফলদন্ডি ব্রীজ পেরিয়ে  বামের সড়ক ধরে এগিয়ে গেলে ডানে  রাখাইন পল্লীর তাত শিল্প ও শুটকি মহল আর বাম রয়েছে নয়নাভিরাম বাকঁখালি নদী আর মহেশখালির পাহাড়ি সৌন্দর‌্যয। এই সড়ক ধরে সামনে গেলেই দু পাশে মাইলের পর মাইল লবনের মাঠ। দুপাশে লবনের মাঠ রয়ে আরেকটু এগুলেই খান বীচ, ইসলামপুর  লবন শিল্প এলাকা। এর পর মহাসড়কে উঠলেই মেধাকচ্ছাপিয়া পার্ক। পার্ক ধরে এগুলেই ডুলহাজারা সাফারি পার্ক।  

উত্তরের প্রকৃতির চেয়ে দক্ষিণের প্রকৃতি আরো মায়াবী। একপাশে সমুদ্রে আর অন্যপাশে পাহাড় রেখে দক্ষিণে গেলেই দেখা মিলে পাহাড়, ঝর্ণা আর গুহার সংমিশ্রনের দরিয়ানগর। মেরিন ড্রাইভ দিয়ে আরেকটু ছুটলেই হিমছড়ির ঝর্ণা। তারপরে দেখা মিলবে  পেচারদ্বীপের বামের দুই পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া সড়ক। যাকে স্থানীয়রা মিনি বান্দরবান বলে ডাকে। এর বাঁকে বাঁকে রয়েছে অসংখ্য ঝর্ণা, গুহা আর আকাঁ বাকা বয়ে চলা খাল। মেরিন ড্রাইভ ধরে আরেকটু সামনে গেলেই দেখা মিলবে ইনানীর পাথুরে বীচ,  লাল কাকড়ার রাজত্ব,শাপলার বিল পাটুয়ারটেক, মনখালীর গর্জন বাগান, টেকনাফের  জিরো পয়েন্ট, মাথিনের কূপ ও নেটং পাহাড়ে বিট্রিশ আমলে তৈরি ব্যাংকার। এই  শহর থেকে মাত্র ২২ কি.মি. দূরের রামুতে রয়েছে ক্যাপ্টেন হিরাম কক্সের বাড়ি, রামকোট বৌদ্ধ বিহার, ১০০ ফুট শয্যা বৌদ্ধমূর্তি, চা বাগান ও রাবার বাগান । এরপাশেই রয়েছে  মোঘল আমলের শাহ সুজা সড়ক ও নাইক্ষ্যংছড়ি লেক।

Advertisement

কক্সবাজার জেলায় সাগরের বুক চিরে সেন্টমার্টিন, মহেশখালি  ও কুতুবদিয়ার মত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে  ভরপুর ৩ টি দ্বীপ রয়েছে। আর মহেশখালিতে রয়েছে আদিনাথ মন্দির, রাখাইন পল্লী, প্রজাপতির বন সোনাদিয়া  এবং মাতারবাড়ির দৃষ্টি নন্দন কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প। কুতুবদিয়া রয়েছে মালেকশাহ’র মাজার ও বাতিঘর। 

সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত সৈকতের তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে লাখো মানুষের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠে। সৈকতের লাবনী পয়েন্টে  কথা হয় ঢাকার ধানমন্ডি থেকে আসা পর্যটক দম্পতি সুমন ও নাবিলার সাথে। তারা বলেন, কক্সবাজার আমরা বারবার আসি। কিন্তু ১৭ অক্টোবর অগ্নিকান্ডের দূর্ঘটনার পর আমরা না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তবে  সব কিছু বুকিং ছিল বাতিল করতে পারিনি। না হয় এমন অনিরাপদ শহরে আনন্দ খুজতে আসতাম না। 

তারা আরো বলেন, “আমরা মেরিন ড্রাইভের সৌন্দর্য দেখতে পাটুয়ারটেক, দরিয়া নগর  ও হিমছড়ি গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে কোনো বীচকর্মী, পুলিশ কিংবা প্রশাসনের কাউকে দেখিনি। এমনকি এসব জায়গায় জোয়ার ভাটার পতাকাও ছিল না। 

বগুড়া থেকে আগত তুহিন ও বৃষ্টি বলেন, মানুষের মুখে কক্সবাজারের গল্প শুনতে শুনতে এর প্রেমে পড়েছিলাম। তবে বাস্তবে এসে মনে হল এর চেয়ে আমাদের মহাস্থানগড়ে অনেক ভাল পরিবেশ। এখানে তো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যছাড়া আর কিছুই নাই। তা দেখতে কিংবা উপভোগ করতে যে পরিবেশ দরকার তাও নিশ্চিত করতে পারেনি  প্রশাসন। 

পর্যটনের জনসংযোগ বিশেষজ্ঞ সায়ীদ আলমগীর বলেন, অগ্নিকান্ডের ঘটনার পর আমরা জানতে পারি কক্সবাজারের প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি হোটেল মোটেল, রিসোর্ট, কটেজ , ফ্লাট সহ নানা রকম আবাসন ব্যবস্থাগুলো নিরাপদ নয়। একটি পর্যটন শহরে যদি থাকার জায়গাটার নিরাপত্তা না থাকে তা লজ্জাজনক। 

কক্সবাজার হোটেল মোটেল অফিসার্স এসোসিয়েশনের  সাধারন সম্পাদক করিম উল্লাহ কলিম বলেন, গেল একসপ্তাহে আগুন ও  সমুদ্রে গোসলে নেমে কক্সবাজারে ১৫ জন নিহত এবং ১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এটি আমাদের জন্য লজ্জার। প্রশাসনের উচিৎ সকল ব্যবসায়ীদের নিয়ম নীতির আওতায় আনা। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 

তিনি আরো বলেন,  এই শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা প্রশাসনের সমন্বয়হীনতা। এখানে জেলা পুলিশ, ট্যুরিষ্ট পুলিশ, জেলা প্রশাসন, বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি, পর্যটন করপোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস , পৌরসভা ও কউকের মধ্যে সমন্বয় না থাকায় ব্যবসায়ীদের অনুমোদন নিতে হিমশিম খেতে হয়। 

কক্সবাজার সিটি কলেজের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এর সাবেক বিভাগীয় প্রধান মইনুল হাসান পলাশ বলেন, উচু উচু ভবন উঠলেই পর্যটন হয় না। মূলত পর্যটনের প্রাথমিক ভিত্তি হচ্ছে ৪ টি।  নিরাপত্তা , সুষম পরিবেশ, নিরাপদ খাদ্য  ও পেশাদারিত্ব। এই ৪ টির কোনটিই এখন কক্সবাজারে নাই। এখনকার চেয়ে কক্সবাজারের পর্যটন ৩০/৪০ বছর আগে ভাল ছিল।

হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, আমাদের একদিকে রয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বালুকাময় নিরাপদ সমুদ্র। অন্যদিকে রয়েছে দেশীয় আঠারো কোটি গ্রাহক। এদের মধ্যে একজনকেও পাবেন না যে কক্সবাজারে আসতে চায় না। কিন্তু তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আমোদ আহ্লাদের  ব্যবস্থা করতে হবে।  এটা করতে পারলে আমরা নানার বাড়ির  স্বীকৃতি পাব। কিন্তু যদি আপনি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন করতে চান সেক্ষেত্রে শুধু যততত্ত্র উচু উচু ভবন করলে চলবে না। পরিবেশ ধব্ংস করে উন্নয়ন করলেও চলবে না। যদি তেমন করেন তবে পর্যযটনের দীর্ঘমেয়াদী ক।ষতি হবে।

হোটেল-রিসোর্ট ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মুকিম খান বলেন,  আসলেই নাইয়ের লিস্ট এত বড় বলে শেষ করা যাব না। কিন্তু দু:খের বিষয় হচ্ছে কিছু বেসিক জিনিসই নাই। নিরাপদ আবাসন ব্যবস্থার সংকট,  গোসলে নেমে ডুবতে থাকা  পর্যটকদের উদ্ধারে প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল নাই, সামন্য সংখ্যক লাইফ গার্ড থাকলেও সৈকতে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নাই।

পর্যটন করপোরেশনের কক্সবাজারের ম্যানেজার ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব রায়হান উদ্দিন আহমদ বলেন,  শহরের সুগন্ধা পয়েন্টে আমরা একটি প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের জন্য ভবন করেছি। কিন্তু ৫ আগষ্টের পরের প্রেক্ষাপটের কারনে সেটি চালু করা সম্ভব হয়নি।  এছাড়া আমাদের বীচকর্মীর ৮ জনের ডুবুরি প্রশিক্ষণ রয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাইফগার্ডরা সদস্যরা পানিতে ভেসে যাওয়া লোকজনকে উদ্ধারে কাজ করে।

এবিষয়ে সী সেইভ লাইফ গার্ডের কক্সবাজারেরর আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ইমতিয়াজ মাহমুদ বলেন, আমাদের ২৭ জন সদস্য  দুই শিফটে কাজ করে। তবে সদস্য কম হওয়ায় আমরা  শহরের লাবনী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্টেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রেখেছি। 

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের সহকারী উপ- পরিচালক বলেন,  কক্সবাজারে একদিকে পর্যটন শহর, অন্যদিকে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত। এখানে পাহাড় আছে, নদী আছে, সাগর আছে । এর পাশাপাশি রয়েছে হাজারের বেশি উচু উচু ভবন। সব মিলিয়ে এখানকার জন্য ১০০ জনের একটি দমকল বাহিনী দরকার। কিন্তু এর বিপরীতে রয়েছে কক্সবাজারে প্রথম শ্রেনীর ফায়ার সার্ভিস । যার জনবল ৩৫ জন। এরমধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু জায়গায় আমাদের লোক দিতে হয়েছে। আমাদের ডুবুরি দল নাই। প্রয়োজন হলে চট্টগ্রাম আসতে হয়। 

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান বলেন,  কক্সবাজার গেল এক সপ্তাহে দুটি ভয়াবহ দূর্ঘটনা ঘটেছে।  প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি দুটি ক্ষেত্রে রিসোর্ট মালিকদের অবহেলা রয়েছে। তাদেরকে সচেতন করে প্রতিটি হোটেল মোটেল, রিসোর্ট কটেজ কে নিরাপদ আবাসযোগ্য করতে শনিবার একটি সভা হয়েছে।  যেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট সবাই উপস্থিত ছিলেন। এসব দেখে নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত এসব সিদ্ধান্ত কার্য করে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করব। 

কক্সবাজার- ৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, পর্যটনের জন্য কক্সবাজারে কিছুই নাই। প্রশাসনিক সমন্বয় নাই, ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার নাই, মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থা নাই। মূলত পতিত সরকার কক্সবাজার পর্যটন উন্নয়নের জন্য কোন ভূমিকা রাখেনা।  তবে বর্তমান সরকার কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী মাস থেকে কক্সবাজারে প্রথম বারের মত তিনমাস ব্যাপী বীচ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 

ডুবুরি দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি মৃত্যুই বেদনাদায়ক। ডুবুরি দলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সী নেটের ব্যবস্থা করা, গোসলে নামার সময় জোয়ার ভাটার নির্দেশনা মানা। এইসব করতে পারলেই মৃত্যু শূণ্যের কোঠায় চলে আসবে।

  • সর্বশেষ