মিজান লিটন : চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চন্দ্রা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ খানের উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালায়ি দুটি হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য ভর্তি করা হয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ১৩ নং হানারচর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নীচে এই ঘটনার শিকার হন তিনি।
এ বিষয়ে আহত ইউসুফ খান জানান,সোমবার(২৬ অক্টোবর)দুপুর ১২টার দিকে আমার জমির খাজনা দিতে ১৩ নং হানাচ্চর ইউনিয়নের ভূমি অফিসে যাই।
এ সময় পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে আমাকে সেখানে দেখতে পেয়ে একই এলাকার ওমর আলীর পুত্র হেলাল, নুরুখার পুত্র লিটন,ওমর আলী,নাছির খান,শুক্কুরীসহ আরো ৮-১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল নিয়ে আমার উপর অতর্কিত এই হামলা চালায়। এসময় আমার শরীরে বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয় এবং এই হামলায় আমার দুটি হাত ভেঙে যায়। পরবর্তীতে আমার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে আমার পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে আমাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন।
আহত ইউসুফ খান আরো জানান আমি দীর্ঘদিন সুনামের শহীত ১২ নং চান্দা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি,আমার দ্বারা কোনদিন কারো ক্ষতি হয়নি।
আমি জনগণের সেবাই সব সময় নিয়োজিত ছিলাম এবং এই ইউনিয়নের মানুষের সুখ দুঃখে তাদের পাশে ছিলাম। কিন্তু এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে আমার ও আমার পরিবারের উপর নানানভাবে আমাকে হয়রানি করে আসছে। অবশেষে আমাকে একা পেয়ে আমার প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়ে দলবদ্ধভাবে আমার উপর এই হামলা চালায়। মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আমি প্রাণে বেঁচে যাই।কিন্তু এই ঘটনায় সন্ত্রাসীরা আমার দুইটি হাত তারা ভেঙে দেয়।
যারা আমার উপর এই হামলা চালিয়েছে আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে সু-বিচার কামনা করছি এবং অচিরেই এই সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।