শিরোনাম
◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার ◈ মাত্র ৮৫২ মিটার দূর দিয়ে গেল ভারতীয় স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ, রক্ষা পেল বাংলাদেশের স্যাটেলাইট ◈ প্রবাসীদের ব্যাংক হিসাব খোলায় নতুন সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছরের জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে, সই হলো কনসেশন চুক্তি ◈ মৌলভীবাজারে ওয়াজ মাহফিলে ৪ কমলা ৫০ হাজার টাকা, আধা কেজি খেজুর ১৫ হাজারে বিক্রি ◈ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতের মরদেহ উদ্ধার, পাশে পড়ে ছিল সিএনজি; মিলেছে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ◈ নাটোরে জার্মান পর্যটকের ব্যাগ নিয়ে উধাও সেই যুবককে দেখা গেল সিসিটিভি ফুটেজে (ভিডিও) ◈ জাতীয় ক্রীড়া প‌রিষ‌দের ক্রীড়া পরিচালকের বিরুদ্ধে সংগঠককে পেটানোর অভিযোগ, থানায় মামলা ◈ বাংলাদেশ-নেপালের মতো ভারতে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি ◈ বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক, গবেষণায় দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:০০ রাত
আপডেট : ০৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:২৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিমানবন্দর থেকে স্বর্ণ ছাড়ানো নামে প্রতারণা: ১৫লক্ষাধিক টাকা নিয়ে ইমাম উধাও

জাহিদ হাসান, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মেলান্দহে ঐতিহ্যবাহী মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মিজানুর রহমানের (৩৮) বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে ১৫ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে পরিবারসহ উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ৮ অক্টোবর মসজিদভিত্তিক মক্তবের শিক্ষক মাও. জোবায়ের (৩০) বাদী হয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষে মেলান্দহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে অভিযুক্ত মুফতি মিজানুর রহমানের ঠিকানা ঢাকার ৩১২ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী, ফরিদাবাদ এলাকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মাও. ফরহাদ হোসেন ও অভিযোগকারী-ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে মাসিক ৪০ হাজার টাকা সম্মানির শর্তে মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে যোগ দেন মুফতি মিজানুর রহমান। যোগদানের পর তিনি মসজিদ কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত আবাসনে পরিবারসহ বসবাস করছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, গত ৭ অক্টোবর হংকং থেকে তার এক আত্মীয়ের পাঠানো স্বর্ণ বিমানবন্দর থেকে ছাড়িয়ে আনার জন্য জরুরি ভিত্তিতে টাকার প্রয়োজন বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা ধার নেন তিনি। এভাবে ১৪-১৫ জনের কাছ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকা নেওয়ার পর ওই রাতেই পরিবারসহ তিনি চলে যান। এরপর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় টাকা নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা টাকা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কোনো বক্তব্য না দিয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেয়।