শিরোনাম
◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে অন্ধকারে বাংলাদেশ : রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে ফের উত্তেজনা, মুখোমুখি জুবায়ের ও সাদপন্থিরা ◈ নরেন্দ্র মো‌দি ক্রিকেটার ছিলেন, ছিল নিজের দলও : প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনেই ফাঁস হলো এসব তথ্য  ◈ ক্রিকেটের বাতাস বইছে হকিতেও! ভারতে খেলতে যে‌তে রাজি নয় পাকিস্তান ◈ ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাহায্য চাইলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ◈ বদলে গেলো আবাহনী মাঠের নাম ◈ প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব হলেন সাইফুল ইসলাম জয় ◈ বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম, দেশে ভরি কত চলছে ◈ সিগারেটের নতুন দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন, কোন সিগারেটের দাম কত? ◈ এইচএসসি শুরুর আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:৫৫ রাত
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:৫৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাবেক স্ত্রীর সন্তানকে দুই দফায় বিক্রিতে জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার, ভুক্তভোগী শিশু উদ্ধার

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাবেক স্ত্রীর সন্তানকে তুলে নিয়ে দুই দফায় বিক্রির অভিযোগে জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করেছে এপিবিএন পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক ( এডিআইজি ) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন।

advertisement

গ্রেপ্তাররা হল- উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের গয়ালমারা এলাকার মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে মো. রশিদ আহমেদ (৩২) ও তার স্ত্রী রুজিনা আক্তার (২৮), একই এলাকার আহমদ শরীফের স্ত্রী তসলিমা আক্তার (২৫) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে নুরুল আমিন (৩৮) ও তার স্ত্রী মায়মুনা আক্তার (২৯)।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মো. রশিদ আহমেদ ভুক্তভোগী শিশুর মায়ের সাবেক স্বামী।

advertisement

মামলার এজাহারের বরাতে এডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমিন বলেন, গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ২-ওয়েস্ট নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-২ ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ আমিনের স্ত্রী তৈয়বা বেগম দুগ্ধপোষ্য ৮ মাস বয়সী শিশু পুত্র ও ভাগ্নি রেহেনা (৭) কে নিয়ে স্থানীয় স্টেশনের ফার্মেসী থেকে কিনতে বের হন। এক পর্যায়ে কুতুপালং বাজারস্থ ফার্মেসীর সামনে পৌঁছালে তার সাবেক স্বামী রশিদ আহমেদ কোলে থাকা শিশুটিকে তৈয়বার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে রশিদ আহমেদ মোবাইল ফোনে কল দিয়ে সন্তানকে ফেরত দিতে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। এসময় চাহিদা মত টাকা না পেলে শিশুটিকে অন্য লোকজনের কাছে বিক্রিরও হুমকী দেয়া হয়। 

পরবর্তীতে সন্তানকে ফেরত পেতে অভিযুক্ত রশিদ আহমেদকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বসত ঘরে ডেকে আনেন তৈয়বা বেগম। এসময় তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে প্রতিবেশী জনৈক তসলিমা আক্তারের কাছে ১৫ হাজার টাকায় শিশুটিকে বিক্রি করা হয়েছে বলে জানানো হয়। পরে রশিদের মাধ্যমে স্বজনরা কৌশলে রুজিনা ও তসলিমাকে কৌশলে ডেকে এনে ধরে ফেলে। এসময় স্বজনরা বিষয়টি ক্যাম্প ইনচার্জ কার্যালয়ে অবহিত করলে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে।

advertisement

এপিবিএন পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, “ পরে আটকরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়- ১৫ হাজার টাকায় কেনা শিশুটিকে ৩০ হাজার টাকায় উখিয়ার পশ্চিম মরিচ্যা এলাকার জনৈক নুরুল আমিন ও তার স্ত্রীর নিকট বিক্রি করা হয়েছে এবং শিশুটি তাদের হেফাজতে রয়েছে। পরে এপিবিএন পুলিশ অভিযান চালিয়ে পশ্চিম মরিচ্যা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। “

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান, এডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমিন।

  • সর্বশেষ