শিরোনাম
◈ গ্রিসে ৭৭ জন অভিবাসী নিয়ে নৌকা ডুবি ◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা: ১৫০ কূপ খনন, বাড়ছে এলএনজি সক্ষমতা ◈ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দূতাবাসের ◈ দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতে ইতিহাস গড়লেন জার্মা‌নির আ‌লেকজান্ডার জভেরেভ ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডে ভরাডুবির পর জোড়া শাস্তিও পেলো পাকিস্তান ক্রিকেট দল ◈ ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত ◈ আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতায় ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প ◈ নতুন পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে উদ্বেগ, খসড়া এখনো আইন মন্ত্রণালয়ে যায়নি ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণ গেল ১৫৭ জনের ◈ ৭ ধাপে ইউপি নির্বাচন, ৮০ উপজেলায় ভোট শুরু ১২ নভেম্বর

প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:০৫ রাত
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:০৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাঘারপাড়ায় আখের বাম্পার ফলন, ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় চাষিরা

আজিজুল ইসলামঃ যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাই কম থাকায় এবার আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন ও বাজারের মোটামুটি দাম পাওয়ায় কৃষকরা আখ বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন, তবে জেলার বাইরে থেকে পর্যাপ্ত ব্যবসায়ী না আসায় ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় জানায়, গত বছরের মতো এবারও উপজেলায় প্রায় ৮৩ হেক্টর জমিতে আখের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে গেন্ডারি জাতের আখের আবাদ সবচেয়ে বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং উন্নত জাতের বীজ নির্বাচনের পরামর্শ দেওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

advertisement

উপজেলার দোহাকুলা, জামদিয়া, দরাজহাট ও নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এবার আখের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকরা ক্ষেত থেকে আখ কেটে পরিষ্কার করে পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

শুকদেবনগর গ্রামের আখচাষি সাইদুর রহমান বলেন, "আখের চারা কেনা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ক্ষেত থেকে আখ কেটে বিক্রি শুরু করেছি। তবে বাইরের জেলা থেকে ব্যবসায়ী না এলে লাভ কম হবে।"

advertisement

দোহাকুলা গ্রামের কৃষক অলিদ হোসেন বলেন, "এবার প্রথমবারের মতো ২৯ শতক জমিতে আখ চাষ করেছি। এতে প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ফলন খুব ভালো হওয়ায় ব্যবসায়ীদের কাছে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় আখ বিক্রি করেছি।"

কৃষকদের ভাষ্যমতে, গত বছর দাম ভালো থাকায় এবার অনেকেই আগ্রহ নিয়ে আখ চাষ করেছেন। কিন্তু বর্তমানে বাইরের জেলা থেকে পাইকাররা পর্যাপ্ত পরিমাণে না আসায় অনেক কৃষক সময়মতো আখ বিক্রি করতে পারছেন না। এতে ক্ষেতেই আখ পড়ে থাকার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

advertisement

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইয়েদা নাসরিন জাহান বলেন, "অনুকূল আবহাওয়া ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় এবার আখের ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকদের উন্নত জাত নির্বাচন ও আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উৎপাদিত আখ যাতে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারেন, সে বিষয়ে বাজারজাতকরণ গুরুত্বপূর্ণ।"

  • সর্বশেষ