শিরোনাম
◈ ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাড়ছে না কেন? ◈ পাঁচ দিন পর ডাকসুর মেয়াদ শেষ, পরের নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা ◈ তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিচ্ছে সরকার ◈ মানব পাচারের অন্যতম রুট হয়ে উঠছে পঞ্চগড় সীমান্ত ◈ সন্তানকে সম্পত্তি দান করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা: সংসদে বিল পাস ◈ সৌদিতে এক সপ্তাহে ১৪ হাজারের বেশি আটক, ফেরত পাঠানো হলো ১২ হাজার ◈ মালয়েশিয়ায় ভিসাবিহীনদের দেশে ফেরার আহ্বান বাংলাদেশ হাইকমিশনের ◈ জ‌য়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও হে‌রে গে‌লো বাংলাদেশ ◈ জু‌নিয়র নারী এশিয়া কাপ হ‌কি‌তে পাকিস্তানকে ৫-১ গো‌লে হারা‌লো বাংলাদেশ ◈ ভারতের কাছেও হার, এশিয়ান কাপের মূলপ‌র্বে খেলার স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:০৯ সকাল
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:৫৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইয়াবার পর কক্সবাজারে গাঁজার বিস্তার, ট্রলারকে ট্রানজিট বানাচ্ছে পাচারকারীরা

বঙ্গোপসাগরে জীবিকার সন্ধানে যাওয়া হাজার হাজার জেলের মধ্যে চলছে গাঁজার আগ্রাসন। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের আড়ালে নিঃশব্দে বিস্তার লাভ করছে এ মাদক। দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার ক্লান্তি কাটাতে এবং তথাকথিত ‘বাড়তি শক্তির’ আশায় জেলেদের মধ্যে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে গাঁজার ব্যবহার। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে জেলেদের ব্যবহার করে সাগরের বুকে ভাসমান ট্রলারগুলোকে মাদকের নিরাপদ ট্রানজিটে পরিণত করছে সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি সিন্ডিকেট। ফলে ইয়াবা-আইসের প্রবেশদ্বারখ্যাত কক্সবাজার পরিণত হয়েছে গাঁজার নতুন গন্তব্যে। র‌্যাব-১৫-এর উপ-অধিনায়ক মেজর এস এম মারুফ বলেন, ‘কক্সবাজার অঞ্চলে সম্প্রতি গাঁজার অনেক বড় চালান জব্দ করেছে র‌্যাব। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে গাঁজার চালানগুলো মূলত কুমিল্লা কিংবা ওই অঞ্চল থেকে কক্সবাজারে এসেছে। ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ কক্সবাজার হয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গেলেও গাঁজার ক্ষেত্রে উল্টো হচ্ছে। মাদকের এ চালানগুলোর নেপথ্যে কারা, তা খুঁজে বের করতে র‌্যাব কাজ করছে।’ কক্সবাজারের গাঁজা আগ্রাসন নিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোমেন মণ্ডল বলেন, ‘কিছু মামলা তদন্ত করতে গিয়ে দেখা গেছে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের মধ্যে গাঁজা সেবনের মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। নিরাময় কেন্দ্রগুলোতেও গাঁজাসক্তের সংখ্যা বেড়েছে। এসব বিশ্লেষণ করে মনে হচ্ছে এ অঞ্চলে গাঁজা আসক্তের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। গাঁজার চোরাচালান রোধে সর্বাত্মক কাজ করছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বিশেষ করে নৌঘাটগুলোয় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’

এদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাগরতীরবর্তী ১৪ উপজেলার প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার জেলে মাছ ধরতে যান বঙ্গোপসাগরে। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার পেশাটি চরম চ্যালেঞ্জিং ও অমানবিক পরিশ্রমের। এখানে নেই কর্মঘণ্টার নির্দিষ্ট নিয়ম বা সীমা। একেকজন জেলে প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টা একটানা হাড়ভাঙা খাটুনি খাটেন। দিনের পর দিন থাকেন পরিবারের সান্নিধ্যের বাইরে। এ অমানবিক শারীরিক ক্লান্তি এবং সমুদ্রের বৈরী পরিবেশ থেকে বাঁচতে গাঁজাকে জেলেরা নিয়েছেন ‘জাদুকরী মহৌষধ’ হিসেবে। জেলেদের মধ্যে বদ্ধমূল ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে গাঁজার ধোঁয়া তাঁদের শরীর গরম রাখবে এবং কাজের জন্য অপরিমেয় শক্তি জোগাবে। এ কুসংস্কারের কারণেই জেলে সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বর্তমানে মারাত্মক আসক্ত হয়ে পড়েছেন।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন 

  • সর্বশেষ