কল্যাণ বড়ুয়া, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বাঁশখালী হয়ে পেকুয়া কক্সবাজার সড়কটি ইয়াবা পাচারের রোড় হিসাবে পরিচিত লাভ করেছে। প্রতিদিন নানা ধরনের গাড়ি করে কক্সবাজারের চকরিয়া পেকুয়া থেকে বাঁশখালী হয়ে চট্টগ্রাম গামী অধিকাংশ গাড়িতে করে উঠতি বয়সী যুবকেরা এ ইয়াবা পাচারের যুক্ত হচ্ছে। বিকালে মোটরবাইক করে কক্সবাজারে ঘুরতে যাওয়া এ ধরনের যুবকেরা এ সন্দেহের ভিতরে বলে থানা পুলিশ জানান। বিগত দিনে বাস, কাভার্ডভ্যান, মোটরসাইকেল, কার ও অ্যাম্বলেন্স সহ নানা পরিবহরে নানা কায়দায় ইয়াবা পরিবহন করছে নিত্যনতুন কৌশলে। বাঁশখালী পেকুয়া সড়কে স্থায়ী তল্লাশি চৌকি না থাকলে ও যখন থানা পুলিশ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তখন কিছু না কিছু পেয়ে থাকে বলে সুত্রে জানান।
এদিকে বাঁশখালী থানা পুলিশ মঙ্গলবার (১সেপ্টেম্বর) অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবাসহ মোঃ খোরশেদ প্রকাশ খুশি (৪১)কে গ্রেফতার করে। থানা পুলিশ জানা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে বাঁশখালী পৌরসভার উত্তর জলদী ভাদালিয়ার রুহুল্লা পুকুরপাড় এলাকায় মুদি দোকানের সামনে থেকে মোঃ খোরশেদ প্রকাশ খুশির চেকপোস্ট বসিয়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি করে ৫৭৪ (পাঁচশত চুয়াত্তর) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১টি মোটরসাইকেল ও ১টি কালো রংয়ের রেইনকোর্ট সহ গ্রেফতার করা হয়। আছাহার মিয়া সওদাগর মা নুরুজ্জাহান বেগম এর পুত্র মোঃ খোরশেদ প্রকাশ খুশি এর বর্তমান ঠিকানা বাঁশখালীর কালীপুর ইউনিয়নের পালেগ্রাম হলে ও তার স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার পৌরসভার কক্সবাজার সদরের আই.বি.পি রোড পশ্চিম এলাকার বাসিন্দা বলে জানা যায়।
তার বিরদ্ধে মাদক আইনে মামলা ও তাকে আদালতে প্রেরন করা হবে বলে সুত্রে জানা যায়। স্থানীয় সচেতন জনগন নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করে বলেন,মাদক উদ্ধার ও মাদক আইনে মামলা হলেও আসামিরা নানা কারণে স্বল্প সময়ে জামিনে বেরিয়ে এসে আবার এ অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এ আইনে কঠোর এবং আরো কার্যকর না হলে মাদকের প্রবনতা রোধ করা যাবে না বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
এদিকে বাঁশখালী থানা পুলিশের অপারেশন অফিসার (এসআই) মো: আরিফ হোসেন বলেন, বিগত দিনে পুলিশের অভিযানে প্রায় দেড় লক্ষাধিক ইয়াবা উদ্ধার, ৭২ জন আসামি গ্রেফতার এবং ৪৫ টি মামলা করা হয়েছে। মাদক সহ ইয়াবা প্রচার রোধে পুলিশ যথাসাধ্য অভিযান পরিচালনা করছে বলে তিনি জানান।