শিরোনাম
◈ সাগর-রুনি হত্যা: রোকেয়া প্রাচীর বাসা থেকে দু’টি ডিস্ক আনা হয়েছিল জিয়াউল আহসানের নির্দেশে ◈ ৪৮ বছরে বিএনপি, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি ◈ ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের’ সদরদপ্তর রিয়াদে, প্রথম মহাসচিব পাকিস্তানি ◈ বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল বিমানবাহিনীর ৩ সদস্যের ◈ আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসির ২১ বছরের যত রেকর্ড! ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন বাড়বে ৫৫ থেকে ১০০% পর্যন্ত ◈ নির্বাচনের ৭ বছর পর রাশেদ খানকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা ◈ ডিপিডিসির জরুরি বার্তা প্রিপেইড মিটার ও বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ◈ নতুন পে স্কেল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি ◈ দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০২:৩৬ রাত
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০২:৫৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহে আগুন, ২১ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ গুম এবং হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে শরীরে আগুন দেয়ার মামলায় স্বামী মো. বশিরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ২১ বছর পর সোমবার (৩১ আগস্ট) এ রায় ঘোষণা করা হয়।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১১টা থেকে পরদিন ভোর সাড়ে ৩টার মধ্যে যেকোনো সময় বশির তার স্ত্রী বিলকিসকে নিজ বসতঘরে হত্যা করেন। পরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বিলকিসের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে তার মুখ, গলা, ঘাড়, বুক ও পাঁজরসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়।

স্ত্রীর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর বশির তাদের দুই সন্তান—৯ বছর বয়সী খাদিজা খাতুন ও দেড় বছর বয়সী মো. ইমরানকে বাড়িতে রেখে পালিয়ে যান। এরপর দীর্ঘ প্রায় ২১ বছর তিনি পলাতক ছিলেন। পরে ২০২৫ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় বশিরকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

মামলার বাদী ছিলেন নিহত বিলকিসের এক মেয়ের পালক বাবা মোহাম্মদ খুরশিদ আলম। মামলার উল্লেখযোগ্য সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন সর্বশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহজাদা মো. আসাদুজ্জামান এবং মরদেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ও অবসরপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. রথীন্দ্রনাথ মজুমদার।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. হাবিবুর রহমান (বাচ্চু)। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট অতীন্দ্র লাল ব্যানার্জী।

রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবী অতীন্দ্র লাল ব্যানার্জী জানান, এ রায়ে তারা ক্ষুব্ধ। রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিফলিত হয়নি। পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। এ জন্য প্রস্তুতিও চলছে।

 

  • সর্বশেষ