এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জনপদবাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পানগুছি নদী পেরোলেই বদলে যায় দূরত্বের হিসাব। নদীর এক পাড়ে ঘটনা ঘটলে অন্য পাড় থেকে পুলিশি সহায়তা পৌঁছাতে সময় লাগে। জরুরি মুহূর্তে কয়েক কিলোমিটার পথ কখনো হয়ে ওঠে দীর্ঘ অপেক্ষা। আর সেই অপেক্ষার সঙ্গে যুক্ত হয় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা।
বছরের পর বছর এই বাস্তবতার মধ্যেই বসবাস করছেন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর উত্তর ও উত্তর-পূর্ব পাড়ের ১০ ইউনিয়নের মানুষ। তাদের দাবি—একটি পৃথক থানা চাই। নামও ঠিক করা হয়েছে—‘সেলিমাবাদ’।
দাবিটি নতুন নয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, স্বাধীনতার পর থেকেই চলে আসছে পৃথক থানার দাবি। মানববন্ধন হয়েছে, জনসভা হয়েছে, র্যালি হয়েছে, আবেদন-নিবেদন হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তা ছিল দাবির খাতাতেই।
এবার পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরে আবেদন যাওয়ার পর অতিরিক্ত আইজিপি (উন্নয়ন)-এর নির্দেশনায় বাগেরহাট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিতুর রহমান সরেজমিনে প্রস্তাবিত সেলিমাবাদ থানার সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন। এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা এবং থানার সম্ভাব্য স্থানগুলো ঘুরে দেখেছেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে তিনটি সম্ভাব্য স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইওয়ে সংলগ্ন লুৎফর রহমান তালুকদারের বসতবাড়ির স্থানটিকে তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। একই সঙ্গে দৈবজ্ঞহাটী এলাকাতেও থানার জন্য উপযুক্ত স্থান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
অর্থাৎ দীর্ঘদিনের দাবি এবার মাঠপর্যায়ের যাচাই-বাছাইয়ের টেবিলে।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়।
সরেজমিন পরিদর্শন কি সত্যিই নতুন থানা প্রতিষ্ঠার প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে রূপ নেবে, নাকি আবারও ফাইলের স্তূপে আটকে যাবে ‘সেলিমাবাদ’?
এই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছেন পানগুছির দুই পাড়ের মানুষ।
নদী আছে, মানুষ আছে—নেই দ্রুত পুলিশি সেবা?
পানগুছি নদী এই অঞ্চলের ভূগোলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু স্থানীয়দের কাছে নদীটি অনেক সময় যোগাযোগের পাশাপাশি প্রশাসনিক সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও একটি বাস্তব চ্যালেঞ্জ।
স্থানীয়দের দাবি, নদীর দুই পাড়ে বসবাসকারী মানুষের জন্য বর্তমান থানা থেকে পুলিশি সেবা নিতে দূরত্ব ও নদী পারাপারের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হয়। কোনো অপরাধ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশের উপস্থিতি প্রয়োজন হলেও যোগাযোগের কারণে সময়ক্ষেপণের আশঙ্কা থাকে।
আর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সময় কখনো কখনো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
একটি চুরি, ছিনতাই, হামলা, সংঘর্ষ কিংবা অন্য কোনো অপরাধের খবর পাওয়ার পর দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ বাড়ে। বিপরীতে সময় যত বাড়ে, ততই অপরাধী পালিয়ে যাওয়ার বা পরিস্থিতি জটিল হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
স্থানীয়দের মূল যুক্তি এখানেই—পুলিশি সেবা মানুষের কাছে না এলে শুধু থানার অস্তিত্ব দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন।
আবেদন থেকে মাঠপর্যায়ের তদন্ত
প্রস্তাবিত সেলিমাবাদ থানা বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক ও দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট শেখ নজরুল ইসলাম কাজলের পক্ষ থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে নতুন থানা প্রতিষ্ঠার আবেদন করা হয়।
আবেদনে মোরেলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর উত্তর ও উত্তর-পূর্ব পাশে অবস্থিত ইউনিয়নগুলোকে নিয়ে ‘সেলিমাবাদ’ নামে নতুন থানা প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়েছে।
আবেদনের যুক্তি—পানগুছি নদীর কারণে নদীর দুই পাড়ের মানুষের প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি রয়েছে। নদী পারাপার ও দূরত্বের কারণে জরুরি মুহূর্তে পুলিশি সেবা পেতে সময় লাগে।
পৃথক থানা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে বলে আবেদনকারীদের দাবি।
পুলিশ সদর দপ্তরের চিঠিতে আবেদনপত্রের ছায়ালিপি ও সংযুক্তিসহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের দপ্তরেও।
এরপরই শুরু হয় সরেজমিন পরিদর্শন।
অনুসন্ধানী বক্স–১
কেন নতুন থানা?
স্থানীয়দের দাবির মূল কারণ তিনটি—
১. ভৌগোলিক দূরত্ব:
পানগুছি নদীর দুই পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের জন্য বিদ্যমান পুলিশি সেবা কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ সবসময় সহজ নয়।
২. জরুরি সেবার সময়:
অপরাধের ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশের উপস্থিতি স্থানীয়দের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
৩. স্থানীয় নিরাপত্তা:
পৃথক থানা হলে নিয়মিত টহল, অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের স্থানীয় উপস্থিতি বাড়বে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
তবে নতুন থানা প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু জনদাবিই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন প্রশাসনিক যাচাই, জনবল, অবকাঠামো, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা প্রয়োজনীয়তার মূল্যায়ন।
তিন জায়গায় নজর পুলিশের
সরেজমিন পরিদর্শনের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিতুর রহমান সম্ভাব্য তিনটি স্থান নির্বাচন করেন।
এর মধ্যে হাইওয়ে সংলগ্ন লুৎফর রহমান তালুকদারের বসতবাড়ির স্থানটি তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
পাশাপাশি দৈবজ্ঞহাটী এলাকাতেও থানার জন্য উপযুক্ত স্থান রয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ প্রস্তাবিত থানার অবস্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এখন একটি প্রাথমিক বাছাইয়ের ধাপ অতিক্রম করেছে প্রক্রিয়াটি।
তবে তিনটি স্থান চিহ্নিত হওয়া মানেই থানা অনুমোদিত হয়ে যাওয়া নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।
অনুসন্ধানী বক্স–২
তিন স্থান চিহ্নিত—কিন্তু পরের ধাপ কী?
সরেজমিন পরিদর্শন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলেও এর পরও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া রয়েছে।
সম্ভাব্যভাবে সামনে আসবে—
চূড়ান্ত প্রশাসনিক অনুমোদন।
এখন পর্যন্ত আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসব ধাপের কোন পর্যায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে—তা নিশ্চিত নয়।
তাই ‘থানা হচ্ছে’ বলার চেয়ে সঠিক অবস্থান হলো—‘থানা প্রতিষ্ঠার দাবির প্রক্রিয়ায় সরেজমিন পরিদর্শন হয়েছে এবং সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে।’
মাঠে পুলিশ, পাশে স্থানীয় মানুষ
সরেজমিন পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন মোরেলগঞ্জ থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. শহীদুল্লাহ।
এ ছাড়া ছিলেন প্রস্তাবিত সেলিমাবাদ থানা বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শেখ নজরুল ইসলাম কাজল, দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ মিজানুর রহমান ডিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আলম পারভেজ লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আলম, অ্যাডভোকেট খান কেরামত আলী, মাস্টার লুৎফর রহমান, বাবু পীযূষ কুমার সাহাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষানুরাগী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
দীর্ঘদিনের দাবির সঙ্গে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্পৃক্ততাই দেখাচ্ছে—বিষয়টি কেবল কোনো ব্যক্তির আবেদন নয়; এটি একটি দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে।
অনুসন্ধানী বক্স–৩
স্থানীয়দের দাবি বনাম প্রশাসনিক বাস্তবতা
স্থানীয়দের দাবি
পানগুছির দুই পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার জন্য পৃথক থানা হলে—
প্রশাসনিক বাস্তবতা
নতুন থানা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন—
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।
অতএব, দাবি শক্তিশালী হলেও বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন প্রশাসনিক সক্ষমতা ও আনুষ্ঠানিক অনুমোদন।
স্বাধীনতার পর থেকে দাবি, এবার কি ফল মিলবে?
স্থানীয়দের দাবি, স্বাধীনতার পর থেকেই এ অঞ্চলে পৃথক থানা প্রতিষ্ঠার দাবি চলে আসছে।
দাবি বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধন, জনসভা ও র্যালি হয়েছে।
কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়নি।
এবার পুলিশ সদর দপ্তরে আবেদন এবং পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সরেজমিন পরিদর্শন স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার জন্ম দিয়েছে।
তবে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে তাদের প্রশ্নও রয়েছে—এই পরিদর্শনের পর প্রক্রিয়াটি কত দ্রুত এগোবে?
শুধু স্থান দেখে প্রতিবেদন তৈরি হলে হবে না; প্রয়োজন পরবর্তী সিদ্ধান্তের গতি।
অনুসন্ধানী বক্স–৪
‘সেলিমাবাদ’ হলে বাস্তবে কী বদলাবে?
পৃথক থানা প্রতিষ্ঠা হলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা—
দ্রুত পুলিশি উপস্থিতি:
ঘটনাস্থলে পুলিশের পৌঁছানোর সময় কমতে পারে।
নিয়মিত টহল:
এলাকায় পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়তে পারে।
অভিযোগ গ্রহণ সহজ হবে:
সাধারণ মানুষ স্থানীয় পর্যায়ে পুলিশি সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
অপরাধ তদন্তে গতি:
স্থানীয় পর্যায়ে পুলিশি কাঠামো শক্তিশালী হলে তদন্ত কার্যক্রম আরও কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
তবে শুধু থানা ভবন নির্মাণ করলেই কাঙ্ক্ষিত ফল নিশ্চিত হবে না।
প্রয়োজন দক্ষ জনবল, পর্যাপ্ত যানবাহন, আধুনিক সরঞ্জাম এবং নদীঘেরা এলাকার জন্য কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা।
কোথায় গলদ?
দীর্ঘদিনের দাবি কেন এত বছরেও বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়নি—এ প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
একদিকে স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা সেবা পেতে তাদের ভোগান্তি রয়েছে।
অন্যদিকে নতুন থানা প্রতিষ্ঠার মতো বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রয়োজন একাধিক পর্যায়ের যাচাই ও অনুমোদন।
এখানে সম্ভাব্য গলদ দুটি জায়গায় দেখা যায়।
প্রথমত—জনদাবি ও প্রশাসনিক পরিকল্পনার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বয়ের ঘাটতি।
দ্বিতীয়ত—দাবি ওঠার পর সেটিকে দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য প্রশাসনিক প্রস্তাবে রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়ার ধীরগতি।
তবে এগুলোকে চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করার মতো পর্যাপ্ত নথি বা তথ্য আপনার দেওয়া প্রতিবেদনে নেই। তাই এগুলোকে অনুসন্ধানের প্রশ্ন হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।
এখন নজর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে
প্রস্তাবিত সেলিমাবাদ থানার সম্ভাব্য তিনটি স্থান এখন পুলিশের পর্যালোচনায় এসেছে।
হাইওয়ে সংলগ্ন স্থানটি পেয়েছে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব।
দৈবজ্ঞহাটীতেও রয়েছে সম্ভাব্য স্থান।
পুলিশ সদর দপ্তরে আবেদন পৌঁছেছে।
সরেজমিন তদন্তও হয়েছে।
দীর্ঘদিনের জনদাবি এবার প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার দৃশ্যমান একটি ধাপে প্রবেশ করেছে।
কিন্তু সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—
এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অপেক্ষমাণ।
ফ্যাক্টফাইল
প্রস্তাবিত ‘সেলিমাবাদ’ থানা
সম্ভাব্য স্থান: ৩টি
শেষ কথা
পানগুছি নদী যুগের পর যুগ এই অঞ্চলের মানুষের জীবন, জীবিকা ও যোগাযোগের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। কিন্তু একই নদী যখন জরুরি মুহূর্তে প্রশাসনিক সেবার দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়, তখন একটি পৃথক থানার দাবি আর কেবল রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক দাবি থাকে না—এটি হয়ে ওঠে মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্ন।
‘সেলিমাবাদ’ নামটি তাই এখন শুধু একটি প্রস্তাব নয়; এটি পানগুছির দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতীক।
এখন বাকি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। পানগুছির দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘ অপেক্ষার কি এবার অবসান হবে? নাকি সরেজমিন পরিদর্শনের পরও ‘সেলিমাবাদ’ আটকে থাকবে আরেক দফা ফাইল, নথি আর অনুমোদনের অপেক্ষায়?
এই প্রশ্নের উত্তর এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে।