শিরোনাম
◈ ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিতের রিটে আদেশ মঙ্গলবার ◈ জ্যো‌তি‌কে অ‌ধিনায়ক ক‌রে এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন‌্য বাংলা‌দেশ নারী দল ঘোষণা  ◈ জ্বালানি সংকট দূর করতে নেওয়া হচ্ছে তিন পরিকল্পনা: সেতুমন্ত্রী ◈ পদোন্নতি পেয়ে উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন আশার আলো, স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার ◈ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইক‌মিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ ৮৪৫ কোটি টাকায় বার্সেলোনায় রদ্রি ◈ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ চার রুটে লংমার্চ, সর্বাত্মক সফলতার আহ্বান জামায়াতের ◈ প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ প্রিন্স সালমানের ◈ কৃষিতে ঋণ বিতরণে ব্যাংকের বাধ্যবাধকতা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:২৩ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহেশপুরে অবৈধ হাট বসিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি, অসহায় প্রশাসন

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গৌরিনাথপুরে ‘ড্রাগন হাট’ বসিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাটে আসা কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ড্রাগন ফলে ২ টাকা এবং ব্যাপারীদের কাছ থেকে ৩ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতি চালানে ‘ধলতা’র নামে অতিরিক্ত ৫ কেজি ড্রাগন ফল নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ঈসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা সোহাগ সরকার, ফারুক হোসেন এবং জামায়াত নেতা মসিউর রহমানসহ কয়েকজন এই টাকা ও পণ্য আদায়ের সঙ্গে জড়িত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৩ বছর ধরে গৌরিনাথপুর হাটের পাশে অবৈধ ভাবে ড্রাগন ফলের হাট বসিয়েছে ওই চক্রটি। হাটে আসা কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ৫ টাকা হারে নিয়ে পুরোটায় পকেটস্ত করছে ওই চক্রটি।

গৌরিনাথপুর সাধারণ হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান লেন্টু অভিযোগ করেন, গৌরিনাথপুর হাট সরকারি ভাবে ইজারা দিলেও ওই ড্রাগন হাটে ইজারা তুলতে দেয় না ওই চাঁদাবাজ চক্র। এ নিয়ে একাধিকার উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগের কাছে অভিযোগ দিলেও কোন সুরাহা হয়নি।

আব্দুস সামাদ নামের এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, প্রতিদিন ওই হাট থেকে অন্তত ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে। এর সঙ্গে ‘ধলতা’ হিসেবে ৫ কেজি ফল অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। ফলে উৎপাদন ও পরিবহন খরচের পর হাটে এসে আরও একটি বাড়তি খরচের বোঝা বহন করতে হচ্ছে তাদের। কিন্তু এই হাটের কোন সরকারি অনুমোদন বা জেলা প্রশাসনের অনুমতি নেই।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া যদি হাট বসানো হয়ে থাকে, তাহলে প্রকাশ্যে কারা টাকা আদায় করছে? আর বৈধ অনুমোদন থাকলে সেই অনুমোদনের ভিত্তি কী? তাদের দাবি, প্রশাসনের উচিত দ্রুত হাটটির বৈধতা যাচাই করা এবং কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করা টাকা ও অতিরিক্ত ৫ কেজি ফল নেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা।

অভিযোগের ব্যাপারে অভিযুক্ত যুবদল নেতা সোহাগ সরকার বলেন, আমরা হাটে কোন খাজনা করছি না। ব্যবসায়ী ও কৃষকদের কাছ থেকে কমিশন নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গৌরিনাথপুর ড্রাগন হাটটি আমার জানামতে অবৈধ। উপজেলা বা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে হাটের কোন অনুমতি নেয়নি। হাটটি পেরিফেরিভুক্ত বা টাকা তোলা বন্ধে দ্রুত্বই ব্যবস্থা নিব।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়