শিরোনাম
◈ সৌদি আরবের সংকটে শাহজালালে সরাসরি ও ট্রানজিটের ৮২ ফ্লাইটযাত্রায় বিঘ্ন, ভোগান্তিতে ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী ◈ ২ দিন বন্ধের ঘোষণায় সংকট, বেশি দামেও মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার ◈ ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না, জানালেন আইনমন্ত্রী ◈ ডিসি-এসপির সহায়তায় ৩০ ঘণ্টা পর মুক্ত হলেন চুয়েট উপাচার্য, ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান (ভিডিও) ◈ দুর্দান্ত লড়াই করে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে ম্যাচ ড্র করলো আফগানিস্তান ◈ ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে কামড়, বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হলিউড অভিনেত্রী ◈ বাংলাদেশে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘ইতেহাদুলউম্মাহ’, বিদেশি যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা (ভিডিও) ◈ নিউইয়র্কে অপ্রীতিকর ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন লামিয়া মোর্শেদ ◈ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ: প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা ◈ সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলকে আবারও আলোচনায় আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:২৩ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহেশপুরে অবৈধ হাট বসিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি, অসহায় প্রশাসন

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গৌরিনাথপুরে ‘ড্রাগন হাট’ বসিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাটে আসা কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ড্রাগন ফলে ২ টাকা এবং ব্যাপারীদের কাছ থেকে ৩ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতি চালানে ‘ধলতা’র নামে অতিরিক্ত ৫ কেজি ড্রাগন ফল নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ঈসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা সোহাগ সরকার, ফারুক হোসেন এবং জামায়াত নেতা মসিউর রহমানসহ কয়েকজন এই টাকা ও পণ্য আদায়ের সঙ্গে জড়িত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৩ বছর ধরে গৌরিনাথপুর হাটের পাশে অবৈধ ভাবে ড্রাগন ফলের হাট বসিয়েছে ওই চক্রটি। হাটে আসা কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ৫ টাকা হারে নিয়ে পুরোটায় পকেটস্ত করছে ওই চক্রটি।

গৌরিনাথপুর সাধারণ হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান লেন্টু অভিযোগ করেন, গৌরিনাথপুর হাট সরকারি ভাবে ইজারা দিলেও ওই ড্রাগন হাটে ইজারা তুলতে দেয় না ওই চাঁদাবাজ চক্র। এ নিয়ে একাধিকার উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগের কাছে অভিযোগ দিলেও কোন সুরাহা হয়নি।

Advertisement

আব্দুস সামাদ নামের এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, প্রতিদিন ওই হাট থেকে অন্তত ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে। এর সঙ্গে ‘ধলতা’ হিসেবে ৫ কেজি ফল অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। ফলে উৎপাদন ও পরিবহন খরচের পর হাটে এসে আরও একটি বাড়তি খরচের বোঝা বহন করতে হচ্ছে তাদের। কিন্তু এই হাটের কোন সরকারি অনুমোদন বা জেলা প্রশাসনের অনুমতি নেই।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া যদি হাট বসানো হয়ে থাকে, তাহলে প্রকাশ্যে কারা টাকা আদায় করছে? আর বৈধ অনুমোদন থাকলে সেই অনুমোদনের ভিত্তি কী? তাদের দাবি, প্রশাসনের উচিত দ্রুত হাটটির বৈধতা যাচাই করা এবং কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করা টাকা ও অতিরিক্ত ৫ কেজি ফল নেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা।

অভিযোগের ব্যাপারে অভিযুক্ত যুবদল নেতা সোহাগ সরকার বলেন, আমরা হাটে কোন খাজনা করছি না। ব্যবসায়ী ও কৃষকদের কাছ থেকে কমিশন নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গৌরিনাথপুর ড্রাগন হাটটি আমার জানামতে অবৈধ। উপজেলা বা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে হাটের কোন অনুমতি নেয়নি। হাটটি পেরিফেরিভুক্ত বা টাকা তোলা বন্ধে দ্রুত্বই ব্যবস্থা নিব।

  • সর্বশেষ