সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ১৭ বছর ধরে বিগত সরকার জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করেছিল। এর একটি নেতিবাচক প্রভাব এখন দেখতে পাচ্ছেন। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বর্তমান সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, এর সমাধান হবে। তবে রাতারাতি হবে না, একটু সময়সাপেক্ষ হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবর্ধনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দরটিকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার জন্য কাজ করা হচ্ছে। মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে শুধু বাগেরহাট বা খুলনা অঞ্চল নয়, এর সুফল পুরো দেশ পাবে।
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরকে ঘিরে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এ জন্য বন্দরের সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় বাগেরহাটের বিভিন্ন উন্নয়ন ও যোগাযোগ অবকাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়।
এছাড়া জেলার সড়ক যোগাযোগ, রেলপথ ও নৌপথের উন্নয়নের মাধ্যমে বাগেরহাটকে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এর আগে মন্ত্রী বাগেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ দশানি–রামপাল–মোংলা সড়কের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রত্যাশা ছিল। সড়কটির উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল হলে রামপাল ও মোংলাসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরে তিনি সরকারি পি.সি. কলেজে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দেন।
বাগেরহাট প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ আবু সাঈদ শুনু, সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটনসহ সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।