কল্যাণ বড়ুয়া, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রামের বোর্ডের অধিনে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ২৭টি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে। জিপিএ পেয়েছে ১৮০ জন শিক্ষার্থী । যা পাশের হার ৭২.২২ শতাংশ। অপরদিকে ২৪টি মাদ্রাসায় ১ হাজার ৪৬৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯০৯ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে। জিপিএ পেয়েছে ৩৩ জন শিক্ষার্থী।
এদিকে ফলাফল জানার পর ফলাফলের জন্য নানা ভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। বিশেষ করে যে সব শিক্ষা প্রতিষ্টান ফলাফল খারাপ করেছে তাদের নিয়ে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে অভিভাবক ও সচেতন মহল। সামাজিক যোগাযোগ গুলো গুলো যেন প্রতিক্রিয়ার ব্যক্ত করার হাতিয়ারে পরিনত হয়েছে। বাঁশখালীর ২৭টি মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম হয়েছে বাঁশখালী সরকারি বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ে ১২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১০২ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৬জন পরীক্ষার্থী। দ্বিতীয় হয়েছে নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৭০ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৭জন পরীক্ষার্থী। তৃতীয় হয়েছে রায়ছটা প্রেমাশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৮৯ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৩জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া সাধনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৫১ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৩ জন পরীক্ষার্থী। কালীপুর এজাহারুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৬৭ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৪ জন পরীক্ষার্থী। পুইছড়ি ইজ্জতিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৫৩ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ১ জন পরীক্ষার্থী। হাজীগাঁও বরুমছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৫৩ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৮ জন পরীক্ষার্থী। নাপোড়া শেখেরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৪৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৬১ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ১৬ জন পরীক্ষার্থী। সাধনপুর পল্লী উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৭৮ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৪ জন পরীক্ষার্থী। বাহারচরা রতœপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৫২ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ১ জন পরীক্ষার্থী। চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ে ২২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১২৫ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৭ জন পরীক্ষার্থী। পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যঅলয় এন্ড কলেজে ২২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১১৭ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৭ জন পরীক্ষার্থী।
মোনায়ম শাহ আউলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২১ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ১ জন পরীক্ষার্থী। বাঁশখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১০৭ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৭ জন পরীক্ষার্থী। নাসেরা খাতুন আর,কে বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৭৩ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৫ জন পরীক্ষার্থী। ছনুয়া কাদেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৯ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ২ জন পরীক্ষার্থী। বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৭৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৩১ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ১৩ জন পরীক্ষার্থী। বৈলছড়ি নজমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১০০ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৬ জন পরীক্ষার্থী। কোকদন্ডী গুনাগরী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১১০ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৮ জন পরীক্ষার্থী। সরল আমিরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৬০ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৩ জন পরীক্ষার্থী। কাথরিয়া বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৭৫ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পেয়েছে ৩ জন পরীক্ষার্থী। গন্ডামারা বড়ঘোনা আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩৪ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পাইনি কোন পরীক্ষার্থী। খানখানাবাদ আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২০ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পাইনি কোন পরীক্ষার্থী। কামাল উদ্দিন চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১০ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পাইনি কোন পরীক্ষার্থী।
এম.আনোয়ারুল আজিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৬ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পাইনি কোন পরীক্ষার্থী। বি.বি চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৯ জন পরীক্ষার্থী আর জিপিএ পাইনি কোন পরীক্ষার্থী এবং বাঁশখালীতে সবচেয়ে বেশি রেজাল্ট খারাপ করেছে এ বিদ্যালয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক অভিভাবক বলেন, শিক্ষকেরা যতদিন রাজনৈতিক নেতাদের তোষন করবে ততদিন শিক্ষা ব্যবস।তার উন্নয়ন হবে না। একেক সরকারের একেক রকম শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের নানা ভাবে ভোগান্তিতে ফেলে অভিযোগে দীর্ঘ মেয়াদী শিক্ষার পরিকল্পনা করার আহবান জানান তারা।