শিরোনাম
◈ মেসি নন, বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল রদ্রির হাতে ◈ বিশ্বকাপ ফুটবল: আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ◈ কাজের আশ্বাস, শেষে ডান্স ক্লাব ও যৌ.ন শোষণের ফাঁদ ◈ পেরুতে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৫ ◈ কারাগার থেকে পালানো সেই নারী কয়েদি রাজধানীতে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বকাপ ফাইনাল: একাদশে তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, অপরিবর্তিত স্পেন ◈ জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশের পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে জুলাই শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমের ছবি ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা, সিদ্ধান্ত আদালত ও ইসির ◈ কুয়েত প্রবাসীদের জন্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বার্তা

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৫৯ বিকাল
আপডেট : ২০ জুলাই, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু ধর্ষণ মামলায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদন্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ১৫ বছর আগে সংঘটিত এক শিশু ধর্ষণ মামলার রায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদন্ড এবং আরও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ আলী মনসুর এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের রায় অনুযায়ী, প্রধান তিন আসামি আনিস রানা, সাইফুল ইসলাম ও দুলালকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় আমৃত্যু কারাদন্ড ও প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়েছে। অপর তিন আসামি আনিছুর, খতিবুর খতু ও লালুকে একই আইনের ৯(৩)/৩০ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা অর্থদন্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

এছাড়াও আদালত রায়ে আরও নির্দেশ দেন, দন্ডিতদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করা হবে। প্রয়োজনে দন্ডিতদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই অর্থ আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দক্ষিণ সালন্দর এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার চারদিন পর ভুক্তভোগীর বাবা ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় ১৫ বছর পর এ বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হয় রোববার।

রায়ের সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে আমৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত আসামি আনিস রানা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইরজীবি বদিউজ্জামান চৌধুরী বলেন,  দীর্ঘদিন পরে হলেও এ রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারটি কাঙ্খিত ন্যায়বিচার পেয়েছে। বিজ্ঞ আদালত আসামিদের অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে তিনজনকে আমৃত্যু এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের যে আদেশ দিয়েছেন, তাতে রাষ্ট্রপক্ষ পুরোপুরি সন্তুষ্ট। এ রায় সমাজে অপরাধীদের কাছে একটি কঠোর বার্তা পৌঁছাবে। আমরা আশা করি, পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করে রায় কার্যকর করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়