শিরোনাম
◈ ‌বিরাট কোহ‌লি ২০২৭ সা‌লের ওয়ান‌ডে বিশ্বকাপও খেলবেন? ◈ ব্যক্তিগত বক্তব্যে কেউ আহত হলে দুঃখ প্রকাশ করছি: শিক্ষামন্ত্রী ◈ ভুল প্রশ্ন ও এইচএসসি পরীক্ষা কেন স্থগিত হয়নি? সংসদে ব্যাখ্যা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ সংসদ ভবন এলাকায় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জ (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি, যুদ্ধ চললে হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে: ইরান ◈ ‘ফার্মের মুরগি’ বিতর্কে উত্তাল দেশ, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ◈ এআই ক্যামেরার পর ট্রাফিক নজরদারিতে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ প্রযুক্তি আনছে ডিএমপি ◈ রূপপুর চালাতে রাশিয়ার সহায়তায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ১৩৩৬ বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ◈ বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ঘোষণা ◈ রাজপথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলন, ‘ভুয়া স্লোগান’ বিতর্ক ও সংসদে পড়ার টেবিলে ফিরার আহবান শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৪৪ রাত
আপডেট : ১৪ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতি : পানি নামছে ধীরগতিতে, ভেসে উঠছে ক্ষত চিহ্ন

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। পানি দীর্ঘতীতে নামার কারণে এখনো অনেক মানুষ পানিপন্দি। অনেক এলাকায় এখন সহায়তা না পৌঁছানোর কথা বলছেন বানবাসিরা। আজ ১০ দিন পর বন্যা কবলিত এলাকায় রোদ দেখা গেছে। যেসব এলাকায় পানি নেমে গেছে সেসব এলাকার বাসিন্দারা তাদের বন্যার পানিতে ভিজে যাওয়া ধান আসবাবপত্র ও কাপড় রাস্তার উপর শুকাতে দেখা গেছে।

চকোরিয়ার কুরিয়ার বিল ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের সিকদারপাড়ার বাসিন্দা হাসিনা বেগম বলেন, তিন মেয়েকে নিয়ে গত আট দিন ধরে অন্যজনের বাড়িতে আছেন। তার বাড়িতে এখনো পানি। আট দিন ধরে শুকনো খাবার খেয়ে আছেন। কোন  সহযোগিতা পাইনি এখন পর্যন্ত। একই কথা জানালেন ওই এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম। তিনি তার ভেঙ্গে যাওয়া ঘরটা এই প্রতিবেদককে দেখিয়ে বলেন, এখানে কিভাবে থাকবো।

তার বাড়ির গলিতেই কোমর পর্যন্ত পানি এখন। একটু দূর এগিয়েই কথা হয় ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা ৫ সন্তানের জননী মনোয়ারা বেগম। প্রতিবেদককে দেখেই কোন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার ত্রাণকর্মী মনে করে এগিয়ে আসেন। বলেন আমরা কিছুই পাইনি।

এভাবেই বেশ কিছু এলাকায় প্রাণ না পৌঁছানোর কথা বলছেন বানবাসি মানুষগুলো।

কক্সবাজারের দুটি নদীর পানি স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হচ্ছে। চকরিয়া ও পেকুয়া এলাকার অনেক মানুষ এখনো পানিবন্দী। ওইসব এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার পানি নামতে শুরু করায় ভেসে উঠছে ক্ষত চিহ্নগুলো।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহীন দেলোয়ার বলেন, বৃষ্টি না হওয়াই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এখনো অনেকগুলো পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে আছে। তাদেরকে শুকনো খাবার ও তাদের পশুর জন্য খাদ্য দেওয়া হচ্ছে।

বন্যা কবলিতদের জন্য সরকারের পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বাড়ি থেকে পানি নেমে গেলেও উঠোনসহ আশপাশের এলাকায় পানি রয়ে গেছে। ফলে দুর্ভোগ রয়েছে।

বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করছে জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
স্থানীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, আজ থেকে বৃষ্টি না হলে সব কিছু ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। এখনো আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষ রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তাদের জন্য শুকনো খাবারসহ পশু খাদ্যের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান প্রশাসন।

বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতবিক্ষত কক্সবাজার এলাকা পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। তিনি বলেছেন, কোন পরিবার যেন সাহায্যের বাইরে না থাকে সে ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়