শিরোনাম
◈ ফিফার শা‌স্তির পর আর্জেন্টিনাকে নি‌য়ে স্পেনের গণমাধ্যমে উসকানিমূলক সংবাদ প্রচার ◈ জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করেই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় না আনলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ পেট্রাপোলে ◈ মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন, হলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ◈ সিলেটে তেলবাহী ট্যাংক লরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪ ◈ ভোলাকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন ◈ সমুদ্রের পাশে ২০০ হেক্টরের মেগা পার্ক, বদলে যাচ্ছে এথেন্সের পুরোনো বিমানবন্দর ◈ দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: নেপথ্যে ‘অবিশ্বাস’, নাকি সম্পর্কের ‘রিসেট’ চায় ঢাকা? ◈ জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা

প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৭:২২ বিকাল
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের নামে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা, আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, দাউদকান্দি (কুমিল্লা): ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গৌরীপুর শাখার অধীন মেঘনা উপজেলার মানিকারচর বাজারস্থ তৌহিদ এন্টারপ্রাইজের মালিক ও মাস্টার এজেন্ট শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তার অধস্তন স্টাফ আফরান সুলতানা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, দাউদকান্দি উপজেলার মোল্লাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম তৌহিদ এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং উপশাখা পরিচালনা করতেন। সেখানে কর্মরত কয়েকজন তরুণ-তরুণীকে স্বল্প বেতনে নিয়োগ দেওয়া হলেও ব্যাংকিং কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, পাসওয়ার্ড ও লেনদেনের তথ্য তার নিজের হেফাজতেই থাকত।

অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু গ্রাহকের হিসাব থেকে অর্থ প্রথমে স্টাফ আফরান সুলতানার ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তর করা হতো। পরে সেই অর্থ উত্তোলন করে তৌহিদ এন্টারপ্রাইজের হিসাবে জমা দেওয়া হতো। পরবর্তীতে ওই অর্থ বিভিন্ন ব্যবসা ও বিনিয়োগ কার্যক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঈদুল আজহার আগে গ্রাহকরা তাদের জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে গিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হলে বিষয়টি সামনে আসে। অনেক গ্রাহক তাদের হিসাবের টাকা তুলতে পারেননি এবং হিসাব বিবরণী (স্টেটমেন্ট) চাইলে তা সরবরাহ করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আফরান সুলতানার দাবি, বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। পরে একটি অডিট পরিচালিত হলে সংশ্লিষ্ট অনিয়মের বিষয়টি উঠে আসে। তবে এরপর তাকে দায় স্বীকারে চাপ প্রয়োগ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক একটি ভিডিও বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, শফিকুল ইসলাম মেঘনা থানায় আফরান সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন পোস্ট ও সংবাদে আফরান সুলতানাকে দায়ী করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকে শফিকুল ইসলাম অফিসে অনুপস্থিত রয়েছেন এবং তার বাসভবনেও তালা ঝুলতে দেখা গেছে। তবে আফরান সুলতানা নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ অডিট এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দায়ীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়