শিরোনাম
◈ অনলাইন বিজ্ঞাপনের আড়ালে ইসরায়েলের বিশ্বজুড়ে নজরদারি, বাদ যায়নি পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও ◈ ল্যাবে তৈরি ভয়ংকর মাদক ‘কুশের’ ভয়ংকর বিস্তার, আসক্ত হচ্ছে শিক্ষিত তরুণরা ◈ সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের নির্দেশ ◈ দেশভাগের ৭৯ বছর পর ব্রহ্মপুত্র দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য পাঠাল ভারত ◈ জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হতে যাচ্ছে ভারত: আইএমএফ ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৩ ◈ মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগ, অনুমোদন পাচ্ছে ৩৩৮ এজেন ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৬:৩৩ বিকাল
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভাগিনাকে নিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না মামার, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তনয়ের

মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : প্রবাসে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। পাসপোর্টের কাজ শেষে হবিগঞ্জে গিয়েছিলেন ভাগিনাকে আনতে। কিন্তু ভাগিনাকে নিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না তনয় কুমার মজুমদারের (২০)। বাড়ি ফেরার পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে তাঁর ১৩ বছর বয়সী ভাগিনা সিজন চন্দ্র দাস।

সোমবার (৮ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরের বৈশামুড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে নবীনগরগামী দিগন্ত পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে উল্টে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন এবং অন্তত ৩০ জন আহত হন। নিহতদের একজন তনয়।

তনয় নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের পালবাজার এলাকার সেতু মজুমদারের ছেলে। তিনি ব্যারিস্টার জাকির আহমেদ কলেজ–এর একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে যান তনয়। পাসপোর্টের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কাজ শেষে তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাকশাই এলাকায় যান তাঁর ভাগিনা সিজনকে আনতে।

Advertisement

সোমবার সকালে ভাগিনাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথে সরাইলে বাস দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা। এতে ঘটনাস্থলেই তনয়ের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনায় আহত সিজন চন্দ্র দাস বলে, “বাসটি হঠাৎ উল্টে খাদে পড়ে যায়। এরপর কী হয়েছে ঠিক মনে নেই। কীভাবে বেঁচে বের হয়েছি, তা-ও বলতে পারব না।”

তনয়ের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকেলে তাঁর মরদেহ বাড়িতে আনা হলে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন এলাকার শত শত মানুষ।

সন্তান হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা সেতু মজুমদার। পরিবারের সদস্যরা জানান, তনয়ের মরদেহ ইব্রাহিমপুর মধ্যপাড়া মহাশ্মশানে দাহ করা হবে।

  • সর্বশেষ