শিরোনাম
◈ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৫ বছরের উন্নয়ন চুক্তি করছে বাংলাদেশ, ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত বৈঠক ◈ কুমিল্লায় যুবদল নেতাকে কাউসারকে কুপিয়ে হত্যা ◈ ব্যাংককে আইএমএফ- বিশ্বব্যাংকের সম্মেলন ঘিরে বিক্ষোভ, ঋণ বাতিল ও ধনীদের ওপর কর আরোপের দাবি ◈ ১৫ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য ◈ হিলারি ক্লিনটনের হাত থেকে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পেলেন ড. ইউনূস, দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি ◈ বিমানবন্দরে স্যুটকেসে শ্যাম্পু-ক্রিমের বোতলে মিলল ৯২টি জীবিত সাপ-টিকটিকি, মেক্সিকান নাগরিক আটক ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখাল নেদারল্যান্ডস, চীনের পর নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশের সামনে ◈ আমিরাতে সক্রিয় ছিল ইরানি ‘স্লিপার সেল’, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের তথ্য প্রকাশ! ◈ 'ইরান কখনও যুদ্ধ চায় না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দি‌তে প্রস্তুত' ◈ নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যে কারণে ৭০ শতাংশ ভিসা বাতিল

প্রকাশিত : ০৫ মে, ২০২৬, ০৬:৩২ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে এক জমিতে ড্রাগন ও আঙ্গুর চাষ, স্কুল শিক্ষকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার প্রতাপপুর গ্রামের এক স্কুল শিক্ষক সুরুজ মন্ডল একই জমিতে ড্রাগন ফল ও আঙ্গুর চাষ করে সৃষ্টি করেছেন অনন্য দৃষ্টান্ত। সীমিত আবাদি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তিনি নিচে ড্রাগন এবং উপরে “মাচা সিস্টেমে” আঙ্গুর চাষ করছেন, যা ইতোমধ্যে এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছে।

সুরুজ মন্ডল জানান, বর্তমানে আবাদি জমির পরিমাণ কমে যাওয়ায় তিনি বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে এই যুগপৎ চাষ শুরু করেন। এতে একই জমি থেকে দ্বিগুণ উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, পাশাপাশি সময় ও খরচ দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, তার বাগানে এখন আঙ্গুর সংগ্রহ (হারভেস্ট) শুরু হচ্ছে । প্রতিটি গাছ থেকে গড়ে ২০ থেকে ২৫ কেজি আঙ্গুর পাওয়ার আশা করছেন তিনি। বর্তমানে ড্রাগন ফলের মৌসুম না থাকায় জমিটি ফাঁকা না রেখে সাথী ফসল হিসেবে আঙ্গুর চাষ করছেন।

দুই বিঘা জমিতে এই ব্যতিক্রমী চাষাবাদ করছেন সুরুজ মন্ডল। শিক্ষকতার পাশাপাশি অবসর সময়েই তিনি বাগানের দেখভাল করেন। বর্তমানে তার মোট প্রায় ২০ বিঘা জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফলের বাগান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সুরুজ মন্ডলের এই উদ্যোগ অন্য কৃষকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিকল্পিত চাষাবাদ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

  • সর্বশেষ