শিরোনাম
◈ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে মাদকের বড় চালান আসে: সংসদে গয়েশ্বর ◈ জামালপুরের সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ গুলশান থেকে গ্রেপ্তার ◈ আমি প্রথম বলির পাঁঠা, কিন্তু শেষ নই, এরপর একে একে সবাই টার্গেট হবেন: মাহফুজ আলম ◈ বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহ্‌দী আমিন ◈ ৬৮ বছরে ১৮ বিশ্বকাপ কাভার করা সাংবাদিককে ‘বিশেষ সম্মান’ আ‌র্জেন্টাইন কোচ স্কালোনির ◈ ১০ হাজার টাকা থাকলেই বিনিয়োগ করা যাবে সরকারি সুকুকে, আবেদন রোববার ◈ তারেক রহমানের চীন সফর: দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম ◈ চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের ড্রোন হামলা ◈ ‘জনবান্ধব নয়, গরিবের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টিকারী বাজেট: সংসদে রফিকুল ইসলাম খান ◈ আসিয়ান সদস্যপদে মালয়েশিয়ার সমর্থন, তিস্তায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে চীন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০৭:৩৫ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁ থেকে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১৪

চট্টগ্রামে ‘শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ’ নামে মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুলে সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর অভিযোগে যুবলীগ নেতাসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। গতকাল রোববার নগরীর হালিশহর বিশ্বরোডের একটি রেস্তোরাঁয় গোপন বৈঠক থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কার্যকলাপ এবং নাশকতা পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে ওই গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন যুবলীগ নেতা মো. শহিদুল ইসলাম (৩৭), মো. নয়ন (১৯), মেহেদী হাসান সোহান (২১), ইব্রাহীম (২৪), সাজ্জাদ হোসেন রাকিব (২৪), ঈসমাইল (২৬), রবিউল ইসলাম রাজু (২০), সাকিল খান (২০), রাজিব (২৯), আশরাফুল (১৯), জাহেদ হোসেন (৩৪), আরিফ (২৫), মো. রাফি (২০) ও ইমাম হোসেন (৩০)। তাঁদের মধ্যে শহিদুল ইসলাম সংগঠনটির অনলাইন প্ল্যাটফর্মের অ্যাডমিন।

নগর ডিবি পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মো. হাবিবুর রহমান জানান, নিষিদ্ধ সংগঠনের রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ ও নাশকতার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি (উত্তর) বিভাগের একটি চৌকস দল ওই রেস্তোরাঁর পার্টি হলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এরপর সেখানে গোপন বৈঠকে মিলিত হওয়া নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৪ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।


মো. হাবিবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার শহিদুল ইসলামের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা দুটি মোবাইল ফোন পর্যালোচনা করে জানা যায়, তিনি ‘শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ’ নামে মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে একটি গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবে রয়েছেন।

এ ছাড়া ‘চট্টগ্রাম দক্ষিণ’, ‘চট্টগ্রাম উত্তর’ ও ‘ফেনী জেলা’ নামে একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অ্যাডমিন হিসেবেও তিনি রয়েছেন। অনলাইনে এসব গ্রুপের মাধ্যমে শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ পরিচালনা করে আসছিলেন। তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা এসব গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।

ডিবিপ্রধান আরও বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রত্যেকেই শহিদুল ইসলামের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঘটনার দিন রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড, জনসাধারণের ক্ষতিসাধন, জনমনে ভয়ভীতি সৃষ্টি, নাশকতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হন।

এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বল জানা গেছে, গ্রেপ্তার শহিদুল ইসলাম লালখান বাজার ওয়ার্ড যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর বাড়ি ফেনী সদর উপজেলায়। এ ছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নিম্ন আয়ের মানুষ। তাঁরা আনন্দবাজার এলাকায় থাকেন। তাঁদের মধ্যে নয়ন পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়