শিরোনাম
◈ ইরানে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ পুরোদমে চলছে ◈ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কোচ গম্ভীরের ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট ◈ পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বদলাচ্ছে, তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:২৭ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুমিল্লায় ২.৭ কিলোমিটার খাল উদ্ধার ও খনন শুরু

ফারুক আহাম্মদ, ব্রাহ্মণপাড়াঃ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে খাল উদ্ধার ও খননকাজ শুরু হয়েছে। ব্রাহ্মণপাড়া সদর থেকে নাইঘর হয়ে ঘুংঘুর নদী পর্যন্ত প্রায় ২.৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের এ উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে ব্রাহ্মণপাড়া সদর এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রাশেদ শাহরিয়ার, ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুমিল্লার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী অলক দাশ, উপসহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, প্রায় ২২ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যয়ে খালটি উদ্ধার ও পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ব্রাহ্মণপাড়া সদর থেকে নাইঘর হয়ে ঘুংঘুর নদী পর্যন্ত বিস্তৃত এই খালের মোট দৈর্ঘ্য ২৭শ মিটার। কাজটি বাস্তবায়ন করছে মেসার্স আমিন এন্ড কোং নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। আগামী জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচসংকট দেখা দিত। খাল পুনঃখননের ফলে এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে তারা আশা করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান বলেন, “খালটি উদ্ধার ও খনন কাজ সম্পন্ন হলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং কৃষি ও পরিবেশ—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ