শিরোনাম
◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ◈ বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়তে পারে দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক ◈ হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ ◈ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে চাকরির নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজটে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু ◈ হাসনাত আব্দুল্লাহ ক্ষমা না চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এনসিপির কর্মসূচি বন্ধের হুঁশিয়ারি ◈ এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৩৩ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাঁশখালী বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সড়কের প্রবেশমুখে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, জনভোগান্তির অবসান

কল‌্যাণ বড়ুয়া, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতি‌নি‌ধিঃ চট্টগ্রা‌মের বাঁশখালী বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সড়কে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়িত ৫.০৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সালেহা বাপের পুল থে‌কে বশির উল্লাহ মিয়াজী বাজার জিসি সড়কের প্রবেশ মুখে রাস্তার ওপর অবৈধভাবে নির্মিত চারটি দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে উপ‌জেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকনের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান প‌রিচালনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। এ অবৈধ স্থাপনার ফ‌লে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছিল।

জানা যায়, বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত বাঁশখালী বাহারছড়া সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে অবৈধ দোকানঘর নির্মাণের ফলে নিয়মিত যানজট লেগে থাকত। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

এ প্রেক্ষিতে এলাকাবাসী উপ‌জেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন তদন্ত চালানো হলে সরকারি খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং এর ফলে জনভোগান্তির সত্যতা পাওয়া যায়। পরে অভিযুক্তদের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য সাত দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপ‌জেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকনের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।  পু‌লিশ সহ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি সফলভাবে সম্পন্ন করা হয় এবং অবৈধ চারটি দোকানঘর অপসারণ করা হলে সাধারন জনগন কৃতজ্ঞতা জানান উপ‌জেলা প্রশাসন‌কে।

  • সর্বশেষ