শিরোনাম
◈ ৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা পরিস্কার করা উচিত: মির্জা ফখরুল  ◈ চাহিদা ও দাম দুটোই কমেছে, ইউরোপে চাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত ◈ জামায়াতের বয়স ৮৪ বছর, ১০০ বছর নয়: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ অর্থ বিল সংশোধন করে করমুক্ত আয়সীমা ৪-৫ লাখ টাকা করা হচ্ছে ◈ কারিগরি ত্রুটিতে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, বাড়তে পারে লোডশেডিং ◈ প্রিপেইড মিটার রিচার্জে ভোগান্তি, নেই সমাধান ◈ জাপানের বিরুদ্ধে প্রথম দলে দেখা যাবে নেইমারকে? লাখ টাকার প্রশ্ন ব্রাজিল শিবিরে ◈ বিরোধী দল সেই সংস্কারের কথা বলে, যে সংস্কার তাদের ক্ষমতার ভাগ দেবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় সমঝোতা কি ভেস্তে যাবে ◈ জিম্বাবুয়ে গে‌লো বাংলা‌দেশ ক্রিকেট দল 

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৪৬ বিকাল
আপডেট : ২৬ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তেলের অপেক্ষায় দিন নষ্ট, কাজে ধস : দুর্ভোগে জীবননগর

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। তেল সংগ্রহ করতে পেট্রোল পাম্পের সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত তেল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। এতে ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন জীবন ও জীবিকা।

সারাদেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের প্রভাব পড়েছে সীমান্তবর্তী এই উপজেলাতেও। জীবননগরে অবস্থিত জীবননগর ফিলিং স্টেশন, নাসিম ফিলিং স্টেশন, পিয়াস ফিলিং স্টেশন, উৎসব ফিলিং স্টেশন ও অংগন ফিলিং স্টেশনসহ ছয়টি পাম্পে তেল সরবরাহ অনিয়মিত হওয়ায় অধিকাংশ সময়ই পাম্প বন্ধ থাকছে।

ডিপো থেকে কোনো একটি পাম্পে তেল পৌঁছালে জীবননগর ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন। এতে পাম্পের সামনে ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

তেল নিতে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষকসহ নানা পেশার মানুষ। এতে তাদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

তেল নিতে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করে  লাভলু মিয়া বলেন, “ফজরের নামাজ পড়ে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। চার ঘণ্টা হয়ে গেছে, কিন্তু এখনও তেল পাইনি। সিরিয়াল রেখে কোথাও যেতে পারছি না, অথচ মাঠে অনেক কাজ পড়ে আছে।”

মোটরসাইকেল চালক সবুজ হোসেন বলেন, “চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর পাম্পের কাছে এসে শুনি তেল শেষ। তেলও পেলাম না, আবার দিনটাও নষ্ট হয়ে গেল।”

চাকরিজীবী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ফুয়েল কার্ড নেওয়ার জন্য একদিন লাইনে দাঁড়িয়ে কাটিয়েছি। এখন আবার তেল নেওয়ার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এই ভোগান্তির শেষ কোথায়?”

এদিকে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে পাম্প কর্তৃপক্ষও হিমশিম খাচ্ছে। মাঝে মধ্যে তেল নিতে আসা মানুষ ও পাম্প কর্তৃপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। তীব্র গরমে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে জীবননগরের মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে। প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়