শিরোনাম
◈ একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, স্বজনদের দাবি রাতে খেয়েছিলেন নুডলস ◈ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, দেখেই বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর (ভিডিও) ◈ ড্যাপের নতুন সংশোধনীতে বুড়িগঙ্গার তীরে ভারী শিল্পের অনুমোদন, বন্যাপ্রবাহ এলাকায় আবাসন প্রকল্পের সুযোগ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে অবস্থান করলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, ফৌজদারি মামলার হুঁশিয়ারি মার্কিন দূতাবাসের ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী-তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর দিতে নির্দেশনা ◈ বাংলাদেশে টমেটো ও আলুর সংগ্রহ-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট এক-তৃতীয়াংশ ধানে ১০.২৪% ◈ ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম ম‌্যাচ সন্ধ‌্যায়, মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ ও জিম্বাবু‌য়ে ◈ মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত ◈ কক্সবাজারের রিসোর্টে ভয়াবহ আগুনে টয়লেটে মিলল আরও ৪ লাশ, নিহত বেড়ে ১০ ◈ আগামী ২৪ ঘণ্টায় যেসব বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৫৯ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজার সৈকতে ঈদের ভিড়ে শিশু হারানো উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে, এক দিনেই হারাল ১২ শিশু

ঈদের ছুটিতে লাখো পর্যটকের ঢল নেমেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। পর্যটকের ভিড় বাড়ার সাথে সাথে সৈকতে ঘুরতে আসা শিশুদের হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। মূলত অভিভাবকদের অসতর্কতার কারণেই শিশুরা ভিড়ের মধ্যে দলছুট হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

সোমবার (২৩ মার্চ) সৈকতের কলাতলী থেকে সুগন্ধা-লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটারে অন্তত দেড় লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটে। এদিন ভিড়ের মধ্যে বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ১২টি শিশু হারিয়ে যায়। এর আগে রোববার (২২ মার্চ) হারিয়েছিল ৩টি শিশু। গত দুই দিনে হারানো এই ১৫ শিশুর সবাইকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
 
সোমবার বিকেল ৫টা। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্সে কান্নায় ভেঙে পড়েছে ছয় বছর বয়সি দুই শিশু লাবীবা ও ইলহাম। একই সময়ে নেত্রকোনার মাহাবুব আলম তার ৬ বছরের শিশু মাহাদী এবং নারায়ণগঞ্জের আক্তার হোসেন তার ১৩ বছরের শিশু আতিক মাহমুদকে হারিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের শরণাপন্ন হন।
 
ট্যুরিস্ট পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার বাড়ৈ এবং সদস্য মোহাম্মদ ফরিদ দীর্ঘক্ষণ সৈকতে মাইকিং করার পর চার শিশুরই অভিভাবকদের খুঁজে বের করেন এবং তাদের সন্তানকে বুঝিয়ে দেন। সন্তানকে ফিরে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিভাবকরা।
  
এর আগে দুপুর ১টার দিকে ঢাকার মিরপুর থেকে আসা ইফতিখার ও কানিজ দম্পতি তাদের ১১ বছর বয়সি কন্যাসন্তানকে হারিয়ে ফেলেন। পরে আধা ঘণ্টা ধরে সৈকত ও ঝাউবাগান এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
 
একই দিন বেলা পৌনে ২টায় সুগন্ধা সৈকত থেকে হারিয়ে যায় নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ১২ বছর বয়সি আয়ান মাহমুদ। বাবা-মায়ের সাথে সমুদ্রে গোসল করতে নেমে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যায় সে। পরে ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তায় এক ঘণ্টা পর সন্তানকে ফিরে পান বাবা আল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘কীভাবে আয়ান হারিয়ে গেল বুঝতে পারিনি। ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’
 
ট্যুরিস্ট পুলিশ, লাইফগার্ড ও বিচ কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হারিয়ে যাওয়া বেশির ভাগ শিশুর বয়স ৫ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। এর মধ্যে মেয়ে শিশুর সংখ্যা বেশি।
 
এসআই সুব্রত কুমার বাড়ৈ বলেন, ‘৯৫ শতাংশ শিশু হারিয়ে যাচ্ছে অভিভাবকদের উদাসীনতায়। অনেক অভিভাবক সন্তানদের সৈকতের বালুতে রেখে সমুদ্রের পানিতে গোসলে ব্যস্ত থাকেন। তখনই ভিড়ের মধ্যে শিশুরা হারিয়ে যায়।’
 
তিনি আরও জানান, হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধার এবং সৈকতে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য তিনটি পয়েন্টে ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ