ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচীব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন-আমরা কাজ করতে এসেছি, একদল বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করে তারা তো এবার ক্ষমতায় আসতে পারেনি। আমরা ভোট দিয়ে জান্নাতের টিকিট নেয়ার দলে না। আমরা কাজ করে আরো পরিশ্রম করে বেহেশতে যাবো।
“খাল কাটা হলে সারা,দূর হবে বন্যা খরা” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সোমবার সকালে ‘দেশব্যাপী নদী নালা খাল,জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচীর আওতায় ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার নেহা নদী পুন:খনন কাজ এর উদ্বোধন শেষে এক সভায় এসব কথা বলেন।
সততার সাথে খাল খনন কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে। ১৯৭৬ সালে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম খাল কাটা শুরু করেছিলেন, সে খাল কাটা যদি অব্যাহত থাকতো তাহলে আজ পানির সমস্যা হতো না দেশে। আমি উদ্বোধন করে দেয়ার পর এই কার্যক্রম যেন থেমে না যায়। অতীতে এমন কাজ আমরা অনেক দেখেছি। সুষ্ঠভাবে যেন কাজ সম্পাদন হয় সেদিকে লক্ষ রাখার নির্দেশ দেন প্রশাসনকে।
নিজ দলের নেতাকর্মী ও সকলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ইরান আমেরিকা যুদ্ধে আমাদেরও অনেক ক্ষতি হয়েছে। জ্বালানি তেল নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। কদিন আগে দেখলাম তেল না পেয়ে কিছু লোক পেট্রোল পাম্প ভেঙে দিয়েছে। এভাবে মব সৃষ্টি করতে দেব না আমরা। যেকোনো মব শক্ত হাতে দমন করা হবে ।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা মহিলাদের হাতে যে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া শুরু করেছি তাতে প্রতিটি পরিবারে মহিলার ক্ষমতা বেড়ে যাবে। একইভাবে কৃষকদেরও কৃষক কার্ড দেয়ার আমরা ব্যবস্থা করছি যাতে কৃষকরা আর অবহেলায় পড়ে না থাকে।
এসময় তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা,পানী উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকারিয়া মন্ডল সহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য, নেহা নদীর ৫.৮ কি: মি: পুন:খননে কাজে ১ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা ব্যায় ধরা হয়েছে।