শিরোনাম
◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বিদ্রোহী ঠেকাতে কঠোর বিএনপি, প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা-সততায় নজর ◈ ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে বদলে গেছে যে ৬ সমীকরণ ◈ পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস: মমতা ◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত ◈ আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে যে শর্ত মানতে হবে, জানালেন সোহেল তাজ ◈ ইমরান খা‌নের দুই ছে‌লের বিস্ফোরক মন্তব‌্য, বাবাকে স্পষ্ট হত্যা করার চেষ্টা চল‌ছে ◈ অবশেষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

প্রকাশিত : ২০ মার্চ, ২০২৬, ০২:০২ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শুক্রবার চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে উদযাপন হবে ঈদ

সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে এবারও শুক্রবার (২০ মার্চ) চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে।

ওইদিন সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন দরবার শরীফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।

এ ছাড়া সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা মাঠে আরেকটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

এই জামাতে ইমামতি করবেন পীরজাদা আরিফুল্লাহ চৌধুরী।
সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা আরিফুল্লাহ চৌধুরী জানান, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সময়ের ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও রমজানের রোজা পালন করে আসছেন। শুরুতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে সারা দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় তাদের অনুসারীরা ঈদ উদযাপন করছেন।

সাদ্রা দরবার শরীফের মুসল্লি ইয়াহিয়া চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ যাচাই-বাছাইয়ের পর আফগানিস্তান ও মালিতে চাঁদ দেখার খবরকে প্রশ্নবিদ্ধ ও সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তারা তা গ্রহণ করেননি।

তাই রমজানের ৩০ দিন পূর্ণ করে শুক্রবার জুমার দিন ঈদ উদযাপন করা হবে।

আগাম ঈদ উদযাপনকারী গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে, হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানি, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া উপজেলার কয়েকটি আংশিক গ্রাম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ অন্যান্য আরব দেশের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপনের এই প্রথা চালু করেন। এরপর থেকে তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একইভাবে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন।

 

  • সর্বশেষ