শিরোনাম
◈ 'ভবিষ্যৎ তোমাদের'—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর নতুন শিক্ষা পরিকল্পনা ◈ হারা‌রে টে‌স্টে জিম্বাবুয়ের রান পাহাড়ে চাপা বাংলাদেশ ◈ কাসেমিরোর গোলে সমতায় ফিরেছে ব্রাজিল, খেলাটি সরাসরি দেখুন ◈ চার বছর পর আবার ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ◈ করমুক্ত আয় বাড়ানো, কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিল ও স্টার্টআপে ৫০০ কোটি টাকা: বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ জনবান্ধব প্রস্তা ◈ কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদি দোকান ভ্যাটের আওতার বাইরে রেখে সংসদে অর্থ বিল পাস ◈ সদ্য চালু হওয়া ভারতীয় ভ্রমণ ভিসার ‘স্লট’ নিয়ে রমরমা বাণিজ্যের অভিযোগ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ (ভিডিও) ◈ অর্থবিল পাস, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির অঙ্গীকার অর্থমন্ত্রীর ◈ একদিনে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ১২৪ ◈ করদাতাদের স্বস্তি দিতে অর্থমন্ত্রীর কাছে যেসব পরিবর্তনের প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৫:৪১ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডোমারে সংকট কেটেছে রাসায়নিক সারের, স্বস্তিতে কৃষক

রতন কুমার রায়, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার উপজেলা চলতি মৌসুমের শুরুতে  সার সংকট থাকলেও জানুয়ারী ও বর্তমান ফেব্রুয়ারী মাসে সংকট কেটে গেছে।এখন সরকার নির্ধারিত মূল্যে চাহিদানুযায়ী রাসায়নিক সার পেয়ে কৃষকরা স্বস্তি প্রকাশ করছে।

সংকট দূর হওয়ার কারনে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সার সহজলভ্য হয়েছে। ফলে কৃষকরা এখন নির্বি ঘ্নে ফসল উৎপাদন করতে পারবে। গত মাসগুলোতে চাহিদানুযায়ী কৃষকরা সার না পেলে কিছুটা হৈচৈ পড়ে যায়।পরে কৃষি বিভাগের তৎপরতায় চাহিদানুযায়ী সার সরবরাহ করা হয় ডিলারদের মাঝে।

কৃষক রবিউল ইসলাম,চন্দন রায়,নিতাই রায়সহ অন্তত ১৫জন কৃষকের সাথে আলোচনা করলে তারা জানান,চলতি বোরো মৌসুমে ডিলারদের কাছে বরাদ্দ আসলে চাহিদানুযায়ী সার পাওয়া যায়।এছাড়াও ছোটছোট দোকানদারদের কাছেও সার পাওয়া যাচ্ছে,তবে ডিলারদের চেয়ে কিছু টাকা বেশী দরে তাদের কাছ থেকে কিনতে হয়।

বি.সি.আই.সি সার ডিলার বজলার রহমান,বি.এ.ডি.সি অনুমোদিত বীজ ও সার ডিলার মো. সহিদুল ইসলাম জানান, প্রতি মাসের বরাদ্দকৃত সার উত্তোলন করে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডিলার জানান,কৃষকদের চাহিদানুযায়ী বরাদ্দ কম আসায়,কৃষকদের চাহিদানুযায়ী সার দিতে কিছুটা হিমসিম খেতে হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ মো. রফিকুল ইসলাম জানান,সারের কোন সংকট নেই। এই উপজেলায় বি.সি.আই.সি ১১জন এবং বিএডিসি অনুমোদিত ২০জন,মোট ৩১জন ডিলার রয়েছে।ফেব্রæয়ারী মাসে ইউরিয়া ১২৮৯মেট্রিক টন,টিএসপি ১২১.৪০মেট্রিক টন,এমওপি ১৯৫.৪০মেট্রিক টন ও ডেব ৬৩৮.১৫মেট্রিক টন সারের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হয়েছে। অনুমোদিত ডিলারদের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রয় করা হয়।চলতি মৌসুমে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় কৃষকগণ যথা সময়ে সার পাচ্ছেন এবং ভুট্টা আলু বোরোসহ অন্যান্য ফসলের মাঠ ভালো অবস্থায় রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়