শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ২৯ জুন, ২০২৬, ০৭:৪৪ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সদরপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর কাশবনে মিলল শিশুর মরদেহ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মেলায় ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া আট বছর বয়সী শিশু শাহাদাত বেপারীর গলিত মরদেহ তিন দিন পর আড়িয়াল খাঁ নদের পাড়ের একটি কাশবন থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে সদরপুর উপজেলার চর নাছিরপুর ইউনিয়নের কাশবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শাহাদাত বেপারী উপজেলার মধ্য চন্দ্রপাড়া গ্রামের রশিদ বেপারীর ছেলে।

অভিযোগ উঠেছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন এক দোলনা কর্মী নিজেই ফোন করে শিশুটির বোনকে মরদেহের অবস্থান জানিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে ওই যুবক পলাতক রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৬ জুন) মহরম উপলক্ষে চন্দ্রপাড়া দরবার সংলগ্ন ট্রলারঘাটে আয়োজিত মেলায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ হয় শাহাদাত। এরপর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পাশাপাশি মাইকিং করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

সোমবার দুপুরে মেলায় কর্মরত ইয়াছিন (১৮) নামে এক যুবক শাহাদাতের বোন রওশনারার মোবাইল ফোনে কল করে আড়িয়াল খাঁ নদের পাড়ের একটি কাশবনে মরদেহ পড়ে থাকার কথা জানায়। পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে শিশুটির গলিত মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে খবর পেয়ে সদরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মেলায় থাকা দোলনার মালিকসহ পাঁচ কর্মচারীকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু এবং সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ। ওসি জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং পলাতক মূল সন্দেহভাজনকে দ্রুত গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তদন্তের স্বার্থে সব দিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

  • সর্বশেষ