শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের নতুন শুল্ক ঘোষণার পর বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তির ভবিষ্যৎ কী? ◈ এয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর সময় জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অবৈধ ভবন রোধে কড়া বার্তা, কুমিল্লায় গণপূর্তমন্ত্রীর ঘোষণা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতেই হবে তারেক রহমানকে ◈ বর্ণবি‌দ্বে‌ষি মন্তব‌্য বন্ধ কর‌তে ফুটবলে নতুন আইন করতে যাচ্ছে ফিফা ◈ ফুটবলার সামিত সোমের ছবি পোস্ট করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো ফিফা  ◈ ক্ষমতা হস্তান্তরের পর কোথায় আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, কী করছেন এখন? ◈ ভয়ভীতি মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করবো: তথ্যমন্ত্রী ◈ মাহদী হাসানের সঙ্গে দিল্লিতে ঠিক কী হয়েছিল?

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৩ বিকাল
আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সেন্টমার্টিনে কেয়াগাছ কেটে রিসোর্ট নির্মাণের দায়ে মামলা

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিন দ্বীপে কেয়াগাছ কেটে রিসোর্ট নির্মাণের অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টেকনাফ থানায় মামলাটি করেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. মুসাইব ইবনে রহমান।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তর বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

মামলার আসামিরা হলেন, সেন্টমার্টিন দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে কেফায়েত আল্লাহ এবং রিসোর্টের মালিক নুর মোহাম্মদ খান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়া এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণের জন্য বেশ কিছু কেয়া গাছ কাটা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক মো. জমির উদ্দিন বলেন, সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণের উদ্দেশ্যে গাছ কাটার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। তদন্তে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেন্টমার্টিনের স্থানীয় বাসিন্দা তৈয়ব উল্লাহ বলেন, “দ্বীপের দক্ষিণপাড়ায় চারদিকে ঘন কেয়াবন ছিল। সেগুলো এখন উজাড় হয়ে গেছে। সারি সারি কেয়া গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, যা দ্বীপের পরিবেশ ও সৌন্দর্যের জন্য বড় ক্ষতি। কেয়াবন দ্বীপের রক্ষাকবচ। এগুলো না থাকলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে।”

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, “কেয়াগাছ কাটার দায়ে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে জেনেছি। ওই এলাকায় গিয়ে দেখি দুয়েকটা গাছ কেটেছে। আমাদের সবার সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কেয়াবন নামের এই রক্ষাকবচ যদি ধ্বংস হয়, তাহলে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কেয়াবন অক্ষুণ্ন রাখাই আমাদের দায়িত্ব।”

১৯৯৯ সালে সেন্টমার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে পরিবেশ অধিদপ্তর। এ আইনে দ্বীপে এমন কোনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ, যা পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে। ২০২২ সালের সরকারি প্রজ্ঞাপনে দ্বীপটিকে সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয় এবং দ্বীপে ইট-সিমেন্ট নেওয়াও নিষিদ্ধ করা হয়। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়