শিরোনাম
◈ নবম পে-স্কেলের বেতন কাঠামো প্রকাশ ◈ লর্ডসে পাকিস্তানের ভরাডুবি, সি‌রিজ জিত‌লো ইংল‌্যান্ড ◈ মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম পে-স্কেলের প্রস্তাব অনুমোদন, জানুন প্রজ্ঞাপন ও বেতন কার্যকরের তারিখ ◈ আসিম মুনিরের অস্ত্র কারখানা পরিদর্শন : পূজার আগে পাকিস্তানের হামলার শঙ্কা, নজরদারি বাড়িয়েছে ভারত ◈ ‘পরীক্ষিত’ সিল ছাড়া মাংস বিক্রি করলে দোকান বন্ধ: ডিএসসিসি প্রশাসক ◈ সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত জ্বালানি তেলের দাম ◈ যুব এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে রাতে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তান ◈ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে মূল টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকেরা ◈ রা‌তে নারী এশিয়া কা‌পে ইন্দোনেশিয়ার বিরু‌দ্ধে ম্যাচ দিয়ে লড়াই শুরু বাংলা‌দে‌শের ◈ পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে বাস উল্টে আহত ৮

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৩ বিকাল
আপডেট : ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সেন্টমার্টিনে কেয়াগাছ কেটে রিসোর্ট নির্মাণের দায়ে মামলা

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিন দ্বীপে কেয়াগাছ কেটে রিসোর্ট নির্মাণের অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টেকনাফ থানায় মামলাটি করেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. মুসাইব ইবনে রহমান।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তর বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

মামলার আসামিরা হলেন, সেন্টমার্টিন দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে কেফায়েত আল্লাহ এবং রিসোর্টের মালিক নুর মোহাম্মদ খান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়া এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণের জন্য বেশ কিছু কেয়া গাছ কাটা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক মো. জমির উদ্দিন বলেন, সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণের উদ্দেশ্যে গাছ কাটার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। তদন্তে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেন্টমার্টিনের স্থানীয় বাসিন্দা তৈয়ব উল্লাহ বলেন, “দ্বীপের দক্ষিণপাড়ায় চারদিকে ঘন কেয়াবন ছিল। সেগুলো এখন উজাড় হয়ে গেছে। সারি সারি কেয়া গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, যা দ্বীপের পরিবেশ ও সৌন্দর্যের জন্য বড় ক্ষতি। কেয়াবন দ্বীপের রক্ষাকবচ। এগুলো না থাকলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে।”

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, “কেয়াগাছ কাটার দায়ে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে জেনেছি। ওই এলাকায় গিয়ে দেখি দুয়েকটা গাছ কেটেছে। আমাদের সবার সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কেয়াবন নামের এই রক্ষাকবচ যদি ধ্বংস হয়, তাহলে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কেয়াবন অক্ষুণ্ন রাখাই আমাদের দায়িত্ব।”

১৯৯৯ সালে সেন্টমার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে পরিবেশ অধিদপ্তর। এ আইনে দ্বীপে এমন কোনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ, যা পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে। ২০২২ সালের সরকারি প্রজ্ঞাপনে দ্বীপটিকে সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয় এবং দ্বীপে ইট-সিমেন্ট নেওয়াও নিষিদ্ধ করা হয়। 

  • সর্বশেষ