শিরোনাম
◈ একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর, গ্রাহকদের টাকা ফেরত নিয়ে বড় ঘোষণা ◈ যোগ করা সময়ে মার্তিনেল্লির গোলে নাটকীয় জয় ব্রাজিলের ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম ◈ 'ভবিষ্যৎ তোমাদের'—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর নতুন শিক্ষা পরিকল্পনা ◈ হারা‌রে টে‌স্টে জিম্বাবুয়ের রান পাহাড়ে চাপা বাংলাদেশ ◈ চার বছর পর আবার ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ◈ করমুক্ত আয় বাড়ানো, কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিল ও স্টার্টআপে ৫০০ কোটি টাকা: বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ জনবান্ধব প্রস্তা ◈ কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদি দোকান ভ্যাটের আওতার বাইরে রেখে সংসদে অর্থ বিল পাস ◈ সদ্য চালু হওয়া ভারতীয় ভ্রমণ ভিসার ‘স্লট’ নিয়ে রমরমা বাণিজ্যের অভিযোগ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ (ভিডিও) ◈ অর্থবিল পাস, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির অঙ্গীকার অর্থমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৩:৩৫ রাত
আপডেট : ২৫ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাত বছরের রিফাত হত্যা: জামার সূত্রে ধরা পড়লেন অভিযুক্ত মায়া

মোবাইল ফোন চুরি নিয়ে বিরোধের জেরে সাত বছরের শিশু রিফাতকে হত্যা করেন প্রতিবেশী মায়া বেগম ওরফে লাবণী। এরপর মরদেহ প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে সারারাত পাহারা দেন। পরদিন সকালে অটোরিকশায় তুলে ড্রামটি নিয়ে যান রাজধানীর গেন্ডারিয়ায়। সেখানে লোহারপুল এলাকার ময়লার স্তুপে ড্রাম ফেলে বাসায় ফেরেন তিনি। ভেবেছিলেন তাকে আর কেউ ধরতে পারবে না। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, লাশের সঙ্গে পাওয়া জামার সূত্র ধরে তাকে শনাক্ত করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর কদমতলীর খানকাহ শরীফ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কদমতলী থানার ওসি শেখ আশরাফুজ্জামান সমকালকে বলেন, মঙ্গলবার শিশুটির মা মুন্নি আক্তার থানায় এসে জানান, রিফাত খেলতে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এর মধ্যে বুধবার রাত ৮টার দিকে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে এক শিশুর লাশ পাওয়া যায়। মুন্নি আক্তারকে গেন্ডারিয়া থানায় নিয়ে গেলে তিনি লাশটি তার ছেলের বলে শনাক্ত করেন।

ওসি জানান, কদমতলী থানা পুলিশের তদন্ত দল সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং লাশের সঙ্গে থাকা কাপড় এলাকাবাসীকে দেখিয়ে শনাক্ত করার চেষ্টা চালায়। শিশুটির বোনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, এই ধরনের জামা তাদের প্রতিবেশী মায়া বেগমের মেয়ের গায়ে দেখেছেন। তখন পুলিশ ওই বাসায় গিয়ে মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলে সে জামাটি নিজের বলে স্বীকার করে। কিন্তু দেখাতে বললে আর খুঁজে পায়নি। এতে পুলিশের সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরবর্তীতে মায়া বেগমকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি নিজের সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করেন। তিনি জানান, দুই–তিন মাস আগে তার মোবাইল ফোন চুরি হয় এবং তিনি রিফাতের বোনকে সন্দেহ করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। সেই থেকে দুই পরিবারের বিরোধ চলে আসছিল। এর মধ্যে মঙ্গলবার রাস্তায় রিফাতকে একা পেয়ে খাবারের লোভ দেখিয়ে বাসায় ডেকে নেন। এরপর মোবাইল ফোন চুরির কথা জিজ্ঞাসা করেন। শিশুটির জবাবে সন্তুষ্ট না হয়ে তিনি রেগে যান এবং তাকে জোরে থাপ্পড় দেন। তার দাবি, ওই সময় টাল সামলাতে না পেরে শিশুটির মাথা খাটের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পরে ঘরে থাকা প্লাস্টিকের চালের ড্রামে লাশ ভরে রাখেন।
 
পুলিশ জানায়, অপরাধ স্বীকারের পর লাবণীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তিনি স্থানীয় একটি স্কুলে দপ্তরি হিসেবে কাজ করেন। একটি রিকশার গ্যারেজে কাজ করেন তার স্বামী। আর নিহত শিশুটির বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন পেশায় অটোরকিশার চালক। উৎস: সমকাল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়