শিরোনাম
◈ কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ও আহত বেশ কয়েকজন ◈ নেপালের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট দলের কোচ হলেন পা‌কিস্তা‌নের মিসবাহ উল হক ◈ একাদশে ভর্তির শেষ সুযোগ, আবেদন করা যাবে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ◈ চাহিদার চেয়ে বেশি আমদানি, তবু কমছে না ফলের দাম ◈ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের সুযোগ, আসছে অধ্যাদেশ ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ডের কারণে তালাক বন্ধ হয়েছে’: চিফ হুইপ ◈ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে প্রবেশ, বাংলাদেশিদের নিয়ে কঠোর হচ্ছে ইইউ ◈ ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গ্রেপ্তার ২৭২ জন ◈ এলন মাস্কের টেসলাকে চ্যালেঞ্জ, রোডস্টারের ওপর দিয়ে উড়ল আলেফের উড়ন্ত গাড়ি! ◈ অনুমতি ছাড়াই অন্যের ওয়ালেট থেকে পরীক্ষামূলক ইথেরিয়াম খরচ করল ওপেনএআইয়ের গবেষণা মডেল

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:৫৬ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাঁদপুরে ছত্রাক নাশক ও রং মিশ্রণ করে ভুট্রা ভাঙ্গানোর অপরাধে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা 

মিজান লিটন: চাঁদপুর হাসিনা আটা মিলে ছত্রাক নাশক ভুট্টায় রং মিশ্রন করায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে শহরের পুরাণবাজার রয়েজ রোড এলাকার সাবেক কমিউনিটি সেন্টারের বিপরীত পাশে হাসিনা আটা মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ৩শ বস্তা ছত্রাকনাশক ও রং মিশ্রিত ভুট্টা পাওয়া যায়। পরে ছত্রাকনাশক ও প্রলেপকৃত ভূট্টাগুলো ধ্বংস করা হয়। 

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংক্ষরণ অধিদপ্তর চাঁদপুরের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান। এসময় চাঁদপুর নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, সদর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মানিক মিয়া, চাঁদপুর সদরের সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্মকর্তা মোঃ আবুল হোসেন, ক্যাবের সদস্য বিপ্লব সরকারসহ চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ী জাহিদ জানান, আমরা সিরাজগঞ্জ থেকে ভুট্টাগুলো চাঁদপুরে এনেছি। এগুলো বিক্রয় নিষেধ তা আমরা জানা ছিল না।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংক্ষরণ অধিদপ্তর চাঁদপুরের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান বলেন, ভোক্তা অধিদপ্তর ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগীয় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি ভুট্টার মিলের সন্ধান পাই। এখানে এসে দেখি  ভুট্টার যে বীজ তার বিভিন্ন ছত্রাকনাশক রং ও অন্যান্য প্রলেপ মিশিয়ে যেটা বীজ হিসেবে ব্যবহার করার কথা, সেটা তিনি ভাঙ্গিয়ে গো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন। এটি মারাত্মক অপরাধ। এটি মানুষের স্বাস্থ্য এবং পশুর স্বাস্থ্য উভয়ের জন্য ক্ষতিকর।এখানে আনুমানিক ৩শ' বস্তার মতো পেয়েছি। আর ছত্রাকনাশক ও প্রলেপকৃত ভূট্টাগুলো ধ্বংস করা হয়, আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

  • সর্বশেষ