শিরোনাম
◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বিদ্রোহী ঠেকাতে কঠোর বিএনপি, প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা-সততায় নজর ◈ ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে বদলে গেছে যে ৬ সমীকরণ ◈ পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস: মমতা ◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত ◈ আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে যে শর্ত মানতে হবে, জানালেন সোহেল তাজ ◈ ইমরান খা‌নের দুই ছে‌লের বিস্ফোরক মন্তব‌্য, বাবাকে স্পষ্ট হত্যা করার চেষ্টা চল‌ছে ◈ অবশেষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

প্রকাশিত : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:০৫ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরগঞ্জের জাহাঙ্গীর শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত

ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ : সুদানের আবেই এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয়জন শান্তিরক্ষীর মধ্যে জাহাঙ্গীর আলমের (৩০) বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামে। গত ৭ নভেম্বর তিনি সুদানে যান। তার মৃত্যুর খবরে গ্রামের বাড়িতে হাহাকার আর মাতম।

জানা গেছে, নিহত জাহাঙ্গীর আলম ঐ গ্রামের আকন্দ বাড়ির হযরত আলীর ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেসওয়েটার পদে কর্মরত ছিলেন।

তিন ভাইয়ের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম ছিলেন মেঝো। বড় ভাই মো. মোস্তফা প্রবাসী এবং ছোট ভাই মো. শাহিন মিয়া বাড়িতে কৃষিকাজ করেন।

স্ত্রী আর তিন বছরের একমাত্র ছেলে ইরফানকে রেখে দেশ ছেড়েছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর শুনে বাড়ির উঠোনজুড়ে এখন শুধু কান্না আর হাহাকার। বাবার আদর কী, তা বোঝার আগেই পিতৃহারা হলো ছোট্ট ইরফান।

প্রায় এগারো বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের স্বপ্ন নিয়ে এক মাস সাত দিন আগে সুদানে যান তিনি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সন্তানকে ভালো ভবিষ্যৎ দেয়ার আশাতেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদেশের মাটিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুর খবরে তারাকান্দি গ্রাম যেন স্তব্ধ হয়ে গেছে। প্রতিবেশীরা বলছেন, শান্ত স্বভাবের এই মানুষটি দেশের জন্য জীবন দিয়ে গেলেন। এলাকায় শোকের মাতম চলছে। সবাই এক কণ্ঠে শহীদ জাহাঙ্গীর আলমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন এবং তার অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

নিহতের বাবা হযরত আলী বলেন, ‘এক মাস আগে আমার বাবা গেছে মিশনে। সে যাওয়ার সময় বলেছে তার ছেলে কে দেখে শুনে রাখতে। আর আমাকে বলেছে কাজ কাম কম করতে যেহেতু আমি অসুস্থ। সে দেশে এসে আমাকে টাকা দিবে এবং যাওয়া সময়ও সে টাকা দিয়ে গেছে। আমার বাবা আর এখন নেই।

পাকুন্দিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাস বলেন, আমি ঘটনার শোনার পরই পরিবারের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করেছি। তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হবে। 

  • সর্বশেষ