শিরোনাম
◈ এক যুগের বেশি সময় পর ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্প বন্ধের সিদ্ধান্ত, বদলে যাচ্ছে সড়কের নকশা ◈ সুখবর পেলেন ঋতুপর্ণারা, ফিফা নারী র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ১০৬ নম্বরে বাংলাদেশ ◈ রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন তারেক রহমান ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে স্টোর ভবনে আগুন ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর ২৬ অক্টোবর, সই হবে অন্তত ৪ সমঝোতা স্মারক ◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:২৬ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সালথার মাঠে মাঠে চলছে আমন ধান কাটার উৎসব, কৃষকের মুখে হাসি

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথায় আমন জাতের ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। কৃষক এখন এ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এলাকার মাটি ও আবহাওয়া আমন ধান চাষের জন্য উপযোগী। তাইতো উৎপাদন ভালো হয় বলে এ উপজেলা ফসলটির জন্য বেশ পরিচিত। 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার মাঠে মাঠে এখন সোনালি আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ চলছে। কৃষকরা যেভাবে মাঠে কাজ করছেন, তাতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ধান কেটে শুকিয়ে মেশিনের মাধ্যমে, কেউবা হাতে মাড়াই করছেন। এর পাশাপাশি, গরুর খাদ্য হিসেবে খড়ের চাহিদাও বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন। চাষাবাদে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হলেও, ফলন ভালো হওয়ায় তারা কিছুটা আশ্বস্ত।

কৃষকরা বলছেন, বর্তমানে বাজারে ১২'শ থেকে ১৩'শ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে ধান। অসময়ে আগাম এ ফসল কাটার কাজ পেয়ে খুশি কৃষি শ্রমিকরাও। এ ধান বিক্রির টাকায় কৃষক পেঁয়াজের আবাদ করছেন। এ কারণে বাড়তি অর্থ আসায় খুশি তারা। কৃষকদের দাবি, ভালো দাম পেলে তারা এ ধরনের চাষাবাদে আরও আগ্রহী হবেন।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে সালথা উপজেলায় আমন ধানের চাষ হয়েছে ১২ হাজার ৩'শ হেক্টর।

Advertisement

সালথা উপজেলার খোয়াড় গ্রামের কৃষক মো. মিলু মাতুব্বর বলেন, ‘আমন জাতের ধানের চাষ করেছি। ফলন ও দাম ভালো পাচ্ছি। এখন পেঁয়াজের আবাদ করব। এ ফসল বিক্রির টাকা অন্য কৃষিকাজের প্রয়োজন মেটানো যাচ্ছে।’

একই এলাকার কৃষিশ্রমিক বাবু সরদার বলেন, এ সময় মাঠে কাজ ছিল না। অনেক কষ্টে দিন পার হচ্ছিল। আগাম ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ করে সংসারের অভাব দূর হয়েছে। এ কাজ শেষ হলে পেঁয়াজের কাজ শুরু হবে।

সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার বলেন, 'এবার আমন ধানের যে ফলন পাওয়া যাচ্ছে, তা আশানরূপ। গত মৌসুমের চেয়ে এবার আমন জাতের ধানের ফলন বেশি হবে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে আবাদ ও ফলন বৃদ্ধি পাবে। ধানের ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় খুশি কৃষকও। উৎপাদন বাড়াতে দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলি করতে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।'

তিনি আরও বলেন, 'উপজেলায় ইতোমধ্যে আগাম আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে স্বল্পবয়সী ধান কাটা ও মাড়াই চলছে। এ ফসল আগাম চাষ করে আবার সেই জমিতে কৃষকরা আগাম পেঁয়াজ চাষ করতে পারেন। এ কারণেই তারা বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। এ জন্য কৃষি বিভাগ মৌসুমের শুরু থেকে প্রচারসহ কৃষকদের ধান উৎপাদনে কাজ করে আসছে বলে জানান তিনি।'

  • সর্বশেষ