শিরোনাম
◈ হঠাৎ শোঁ শোঁ শব্দ, নিমিষেই পানির স্রোত-কাদা-পাথরের ঢল; আমগাছ আঁকড়ে বেঁচে গেলেন নেপালি শ্রমিক ◈ দে‌শে সার সংকট আছে নাকি নেই? ◈ ভূমিকম্প, হিমবাহ নাকি ভারী বৃষ্টি : ভয়াবহ বন্যার কারণ খুঁজতে দিশাহারা নেপাল ◈ ইরানে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ পুরোদমে চলছে ◈ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কোচ গম্ভীরের ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট ◈ পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বদলাচ্ছে, তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে

প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪১ রাত
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজীপুর রিসোর্টে যেভাবে ধ'র্ষিত হন অভিনেত্রী, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন নিজেই (ভিডিও)

গাজীপুরের শ্রীপুরে নাটকে অভিনয়ের প্রলোভন দিয়ে এক অভিনেত্রীকে ‘রাস’ নামক রিসোর্টে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নাট্যনির্মাতা নাসির উদ্দিন মাসুদ ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার শ্রীপুর থানায় মামলা হয়েছে।

ভুক্তভোগী অভিনেত্রী অভিযোগে উল্লেখ করেন, ‘চার-পাঁচ মাস আগে পূবাইলে শুটিংয়ের সময় পরিচালক নাসির উদ্দিন মাসুদ আমার মোবাইল নম্বর নেন। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত কল দিতেন। একসঙ্গে দু-একটি নাটকের শুটিংও করি। হঠাৎ ঘটনার দিন রাতে শুটিংয়ের কথা বলে তিনি বাসা থেকে আমাকে নিয়ে যান। ২১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের উত্তর পেলাইদ এলাকার রাস রিসোর্টে নিয়ে গিয়ে মাদক সেবনের পর মাসুদ ও তার সহকারী বাবর আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিচালক ও তার সহযোগী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর বয়স্ক এক ব্যক্তিও আমাকে ধর্ষণ করেন। তাকে রিসোর্টের মালিকপক্ষের লোক হিসাবে পরিচয় দেওয়া হয়। এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে বাবর আমার ব্যবহৃত আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স ছিনিয়ে নেন এবং আমাকে রিসোর্ট থেকে বের করে দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস রিসোর্টের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরেই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এখানে প্রায়ই তরুণ-তরুণীরা রুম ভাড়া নেয়। দিনের বেলাতেও চলে অনৈতিক কাজ। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সবসময় অস্বীকার করে।

ঘটনার পর রাস রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ওয়েবসাইটে দেওয়া নম্বরে কথা হয়। কিন্তু তারা মালিকপক্ষের নম্বর দিতে অস্বীকৃতি জানান। শ্রীপুর থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়ার পর ইতোমধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উৎস: যুগান্তর ও বৈশাখী টিভি।

 

  • সর্বশেষ