শিরোনাম
◈ হঠাৎ শোঁ শোঁ শব্দ, নিমিষেই পানির স্রোত-কাদা-পাথরের ঢল; আমগাছ আঁকড়ে বেঁচে গেলেন নেপালি শ্রমিক ◈ দে‌শে সার সংকট আছে নাকি নেই? ◈ ভূমিকম্প, হিমবাহ নাকি ভারী বৃষ্টি : ভয়াবহ বন্যার কারণ খুঁজতে দিশাহারা নেপাল ◈ ইরানে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ পুরোদমে চলছে ◈ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কোচ গম্ভীরের ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট ◈ পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বদলাচ্ছে, তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে

প্রকাশিত : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:৪৬ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভালোবেসে বিয়ে, ভাড়া বাসায় নববধূর লাশ রেখে স্বামী পলাতক

মো. সোহেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সদর উপজেলা থেকে এক নববধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে।  

নিহত সাদিয়া ইসরাত মীম (২১) হাতিয়া পৌরসভার চরকৈলাশ গ্রামের মো.সাব্বির হোসেন হোসেনের মেয়ে।  

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।  এর আগে, একই দিন বেলা সোয়া ১১টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর উত্তর ফকিরপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ওই নববধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের বাবা সাব্বির হোসেন বলেন, চলতি বছরের ১১ এপ্রিল পাঁচ লক্ষ টাকা দেনমোহরে মীম ও লক্ষীপুরের রামগতির চর মসনা এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে দ্বীন মোহাম্মদ ভালোবেসে বিয়ে করেন। নোয়াখালী কলেজে পড়ার সময় তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের পর থেকে তারা মাইজদী শহরের অধ্যাপক কাদেরের ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। শুক্রবার সকালে মীমের লাশ বিছানায় ফেলে রেখে স্বামী দ্বীন মোহাম্মদ মীমের খালাতো বোন জুঁই ও তার শাশুড়ি মুন্নিকে ফোন দিয়ে বলেন, মীম হয়তো বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। দ্রুত বাসায় আসেন, আমি গাড়ির জন্য বের হয়েছি। কিন্তু এরপর তিনি আর বাসায় ফেরেননি। জুঁই ঘটনাস্থলে এসে চিৎকার করলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের খালাতো বোন শ্রেষ্ঠা বলেন, একই বাসায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভা নামে আরেক ছাত্রী সাবলেট থাকত। ঘটনার পর থেকে তিনি নেই। তিনি নাকি ঢাকা যাচ্ছেন। আমার বোনকে পরিকল্পিত ভাবে তার স্বামী হত্যা করেছে।  

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।  

  • সর্বশেষ