শিরোনাম
◈ মেট্রোরেলের পরিপূরক হিসেবে ঢাকায় আসছে মনোরেল, শুরু হচ্ছে সমীক্ষা ◈ না খে‌লেই এশিয়ান গেমস পুরুষ ক্রিকে‌টের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, লড়াই হ‌বে পা‌কিস্তানের বিরু‌দ্ধে ◈ এবার রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানের অনুমতি না দেওয়ার যে কারণ জানাল পাকিস্তান ◈ চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলেই তারেক রহমানের ভারত সফর ◈ দেশে বাজারে ইলিশের দাম বাড়ায় ভারতে রপ্তানি বন্ধের দাবি, সরকারকে আইনি নোটিশ ◈ মালয়েশিয়া থেকে ১,৫০০ মিয়ানমারের নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানো শুরু ◈ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে তাড়াহুড়ো নেই, সবকিছু ইতিবাচক: ভারতীয় হাইকমিশনার ◈ ১.৪৮ কোটি রুপির সমঝোতায় এমপিএস মামলা থেকে অব্যাহতি গৌতম আদানি গ্রুপ ◈ বাংলাদেশসহ ২০ দেশ থেকে বিশেষায়িত ওষুধ আমদানিতে শুল্ক ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র ◈ জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই ভারত-যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৪:২০ দুপুর
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৪:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মেট্রোরেলের পরিপূরক হিসেবে ঢাকায় আসছে মনোরেল, শুরু হচ্ছে সমীক্ষা

ঢাকা মহানগর অঞ্চলে বিদ্যমান গণপরিবহন ব্যবস্থার পরিপূরক ও ফিডার সার্ভিস হিসেবে এলিভেটেড মনোরেল চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) Bureau of Research, Testing and Consultation (BRTC)-এর মধ্যে পরামর্শক সেবার চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ডিটিসিএ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘Consultancy Service for Pre-Feasibility Study of Monorail Alignment Integration with Mass Transit Networks in Dhaka Metropolitan Region’ শীর্ষক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে ডিটিসিএর পক্ষে অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ড. মো. মশিউর রহমান এবং BRTC-বুয়েটের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইয়্যেদ ইশতিয়াক আহমেদ স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মোহাম্মদ মসিউর রহমান।

ডিটিসিএ জানায়, প্রস্তাবিত সমীক্ষার মূল লক্ষ্য ঢাকা মহানগর অঞ্চলে মনোরেলভিত্তিক গণপরিবহন ব্যবস্থার সম্ভাব্যতা যাচাই এবং বিদ্যমান ও পরিকল্পনাধীন মেট্রোরেলসহ অন্যান্য গণপরিবহন নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর কার্যকর সমন্বয়ের সুযোগ নিরূপণ করা।

advertisement

সমীক্ষায় সম্ভাব্য মনোরেল রুট ও অ্যালাইনমেন্ট, স্টেশন ও ডিপোর স্থান নির্বাচন, যাত্রী চাহিদা, কারিগরি উপযোগিতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা বিশ্লেষণ করা হবে। পাশাপাশি মনোরেল ব্যবস্থাকে বিদ্যমান ম্যাস ট্রানজিট নেটওয়ার্কের পরিপূরক ও ফিডার সার্ভিস হিসেবে কীভাবে সমন্বয় করা যায়, সেটিও যাচাই করা হবে।

সমীক্ষার আওতায় URSTP-তে প্রস্তাবিত পাঁচটি মনোরেল রুটের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর অঞ্চলের অন্যান্য সম্ভাব্য রুটও বিশ্লেষণ করা হবে। এসব বিশ্লেষণের ভিত্তিতে দুটি অগ্রাধিকারযোগ্য মনোরেল করিডোর চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কারিগরি, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত মূল্যায়ন করা হবে।

সম্ভাব্য করিডোর নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্টেশন ও ডিপোর সম্ভাব্য স্থান, যাত্রীসংখ্যা ও যাতায়াতের চাহিদা নিরূপণে Travel Demand Forecasting এবং মনোরেল ব্যবস্থার কারিগরি ও কাঠামোগত উপযোগিতা পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের সম্ভাব্য পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব এবং অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতাও মূল্যায়ন করা হবে।

ডিটিসিএ বলছে, ঢাকার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, যাতায়াতের চাহিদা ও যানজটের প্রেক্ষাপটে সমন্বিত ও টেকসই গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় ভারী মেট্রোরেল অবকাঠামো নির্মাণে বাস্তবায়নগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেসব এলাকায় মনোরেলের সম্ভাবনা সমীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

সরকারি অর্থায়নে এ প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বাস্তবায়ন করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী সমীক্ষার মেয়াদ ছয় মাস।

সমীক্ষা শেষে পাওয়া ফলাফল ঢাকা মহানগর অঞ্চলের গণপরিবহন পরিকল্পনা, সম্ভাব্য মনোরেল করিডোর নির্বাচন, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ পরিকল্পনা ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ