মনিরুল ইসলাম : দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজারের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার রেল যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করতে চলতি মাসেই চালু হচ্ছে আরও এক জোড়া নতুন আন্তঃনগর ট্রেন। যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, ভ্রমণ সহজীকরণ এবং পর্যটন খাতকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নিয়েছে ।
রেলপথ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ট্রেন চালুর মাধ্যমে ঢাকা–কক্সবাজার রুটে যাত্রী চাপ কমবে এবং টিকিট প্রাপ্তি সহজ হবে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে অতিরিক্ত যাত্রী চাহিদা মোকাবিলায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে এই রুটে চলাচলরত ট্রেনগুলোর ওপর যাত্রীচাপ ক্রমেই বাড়ছে। নতুন ট্রেন সংযোজনের ফলে যাত্রীরা আরও আরামদায়ক ও সময়নিষ্ঠ সেবা পাবেন। পাশাপাশি আধুনিক কোচ, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানা গেছে।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচি এমনভাবে নির্ধারণ করা হবে যাতে যাত্রীরা সুবিধাজনক সময়ে যাতায়াত করতে পারেন। দিন ও রাত—দুই সময়েই ট্রেন চলাচলের সুযোগ থাকছে, যা পর্যটক ও সাধারণ যাত্রী উভয়ের জন্যই সহায়ক হবে।
এদিকে, কক্সবাজার রুট চালুর পর থেকেই এই পথে ভ্রমণকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যটকরা এখন সহজেই ট্রেনে করে সমুদ্রসৈকতে পৌঁছাতে পারছেন। নতুন ট্রেন চালুর ফলে এই প্রবণতা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেল যোগাযোগ যত উন্নত হবে, কক্সবাজারসহ আশপাশের পর্যটন কেন্দ্রগুলো তত বেশি প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পাবে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙা হবে।
ঢাকা–কক্সবাজার রুটে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন সংযোজন শুধু যাত্রীসেবার মান বাড়াবে না, বরং দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, ঢাকা-৯ আসন এর সংসদ সদস্য এবং রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব তার ভেরিফাইড পেইজে একটি পিক দিয়েও এই সংবাদটি শেয়ার করেছেন।