শিরোনাম
◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত ◈ মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে জুবাইদা রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৫ দুপুর
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুয়াকাটা পর্যন্ত ট্রেন চালুর পথে অগ্রগতি, ৪৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে অর্থায়ন খুঁজছে সরকার

রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে দেশের প্রতিটি জেলা

দেশের প্রতিটি জেলাকে রেল সংযোগের আওতায় আনার কাজ শুরু করেছে সরকার। এরইমধ্যে সমীক্ষা শেষ হওয়ায় ভাঙ্গা থেকে ২৪৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার। আর রেলের বাইরে থাকা অন্য জেলাগুলোতে রেল সম্প্রসারণের সমীক্ষা অচিরেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। শুধু যাত্রী পরিবহন নয় পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দরকে কাজে লাগিয়ে পণ্য পরিবহনের পরিকল্পনাও একইসঙ্গে বাস্তবায়নের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। নতুন নেটওয়ার্কে জেলাগুলোতেও বাণিজ্যিক সম্ভাবনার সন্ধান করে তারসঙ্গে রেলকে সংযোগ করা ছাড়া পুরোপুরি সুফল মিলবে না বলে মত তাদের।

রেলেই যাওয়া যাবে সাগরকন্যা কুয়াকাটায়। পদ্মা সেতুর রেললিংক প্রকল্পের ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারিত হওয়া সেই স্বপ্ন এখন অনেকটাই হাতের কাছে। ভাঙ্গা থেকে গোপালগঞ্জ-মাদারীপুর ও দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল, ঝালকাঠি, বরগুনা ও পটুয়াখালী পর্যন্ত ২৪৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের সমীক্ষা শেষ হয়েছে বহুদিন আগেই।

advertisement

পরিকল্পনা অনুযায়ী পায়রা বন্দরে অর্থনৈতিক জোন, বরিশালে মাল্টিমোডাল হাবসহ ১৯টি বড় স্টেশন নির্মাণ করা হবে। ১৭ কিলোমিটার নিচু জমিতে হবে উড়াল রেলপথ। কীর্তনখোলা,পায়রাসহ নদীগুলোতে নির্মাণ করা হবে ৪৬টি সেতু। কোনো ক্রসিং ছাড়া ট্রেন চলবে আন্ডারপাসের মধ্যদিয়ে।

রেলপ্রতিমন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য ব্যয় ৪৪ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার।

advertisement

তিনি আরও বলেন, আমাদের চিন্তা ভাবনার মধ্যে রয়েছে, যেহেতু এটার সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। সেহেতু অর্থ সংস্থানের দিকে চিন্তা আছে।

এদিকে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান সময় সংবাদকে বলেন, রেললাইন সম্প্রসারণ প্রকল্পের সঙ্গেই পায়রা বন্দর থেকে মালামাল পরিবহনের সুযোগ সম্বলিত সকল প্রকল্প একই সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে।

advertisement

তিনি আরও বলেন, পায়রা বন্দরের যে সম্ভাবনা আছে সেটাকে কাজে লাগিয়ে একটা আমদানি-রফতানিযোগ্য করিডোর তৈরি করা। পাশাপাশি যাত্রী পরিবহনে রেললাইন থাকবে। ফরওয়ার্ড এবং বেকওয়ার্ড লিংক যদি তৈরি না হয়, শুধুমাত্র যাত্রী পরিবহন করে এতো বিনিয়োগ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং চ্যালেঞ্জ হিসেবে যে কথাটা বলছি, এ করিডোরটা কিন্তু আসলে তখন সরকার তথা জনগণের জন্য ঋণের একটা বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা জেলাগুলোতে রেল সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এগোচ্ছে সরকার। অল্প সময়ের মধ্যে এসবের জন্য নেয়া হবে সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্প বলে জানান রেলপথ প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের চাওয়া ঢাকার আশপাশে রেলপথ বাড়ানো। পাবর্ত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলার সাথে আমাদের রেল সংযোগ নেই আর দ্বীপ ভোলার সাথে। বাকিগুলোর সাথে রেল সংযোগ বাড়ানোর জন্য সরকার কাজ করছে। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে আছে, সবগুলো জেলাই আস্তে আস্তে রেল সংযোগের মধ্যে আসবে।

রেল সম্প্রসারণের পাশাপাশি জেলাভিত্তিক অর্থনৈতিক বিকাশে রেলকে ব্যবহারের পরিকল্পনাও একই সঙ্গে গ্রহণের তাগিদ এ বিশেষজ্ঞের।

ড. হাদিউজ্জামান বলেন, প্রত্যেকটা জেলাই বাণিজ্যিক সুবিধা যেটার সুযোগ আছে সেই সুযোগটা কাজে লাগানোর জন্য প্রকল্পগুলো কিন্তু একসঙ্গে নিতে হবে। জমির প্লান এবং পরিবহন প্লান এটার মধ্যে যদি মেলবন্ধন তৈরি না হয়, তাহলে রেলপথ ঠিকই তৈরি হবে, তবে এই রেলপথের যে উপযোগিতা অর্থনীতি হোক আর বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে হোক, সেই উপযোগিতা কিন্তু তৈরি হবে না।    

বর্তমানে ৩ হাজার কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে দেশে যা ৪৮টি জেলার সংযোগ স্থাপন করেছে।

সূত্র: সময় 

  • সর্বশেষ