শিরোনাম
◈ রাজশাহীতে ১ ডিসেম্বর থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক ◈ সরকার যেভাবে দেশ চালাচ্ছে তাতে হিটলার থাকলে লজ্জা পেতো: মান্না  ◈ বেতন নেবেন না মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ◈ ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই সমাবেশ হবে: মির্জা ফখরুল ◈ মহিলা লীগের সভাপতি চুমকি, সম্পাদক শিলা ◈ নয়াপল্টনে ‘আসল বিএনপি’র মিছিলে বিএনপির ধাওয়া ◈ নির্বাচনের আগে সংলাপের সম্ভাবনা নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ সময় হলে আমরাও বিদেশিদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাব: মোমেন ◈ শেখ হাসিনার ‘ম্যাজিক লিডারশিপে’ বদলে গেছে চট্টগ্রাম: কাদের ◈ সরকার যেখানে ভালো মনে করে সেখানেই সমাবেশের অনুমতি দিচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ০৭:৩১ বিকাল
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ০৭:৩৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৮ দফা দাবী মেনে না নিলে

বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির

রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির ৮ দফা দাবী মেনে না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা

সালেহ্ বিপ্লব: রাজধানীতে রেলওয়ের অন্তর্ভুক্ত ট্রেড ইউনিয়নের নেতাদের নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সংলাপে বক্তারা এ ঘোষণা দেন।

সংলাপটি বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির। প্রধান আলোচক ছিলেন শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) ও সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন। সংলাপ সঞ্চালনা করেন রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি সাইদুজ্জামান শিপন।

আলোচনায় অংশ নেন জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দলের সাধারণ সম্পাদক এম. আর. মঞ্জু, বাংলাদেশ রেলওয়ে কারিগরি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এস. কে. বারী, বি. আর. ই. এল. সভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক হনি, বাংলাদেশ রেলওয়ে অফিস কর্মচারী পরিষদের আহ্বায়ক সৈয়দ আবজুরুল হক তুহিন, দি ডেইলি স্টারের প্রধান কর্পোরেট এফেয়ার্স এ. এস. এম. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির উপদেষ্টা ইউসুফ রশীদি, আব্দুর রাজ্জাক মল্লিক, পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন সাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন বাবু এবং দপ্তর সম্পাদক মাহাবুবর রহমান মানিক।

সংলাপে বক্তারা বলেন, রেলকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে চক্রান্তকারীরা পোষ্যদের পাশ কাটিয়ে তথাকথিত বিধিমালার নামে নিজেদের লোক নিয়োগের মাধ্যমে পারিবারিক বিত্ত গড়ে তুলছে। অথচ যাদের রক্তমাখা ঘামে রেল চলছে তাদের সন্তানদের রেল প্রতিষ্ঠানের পা রাখার সুযোগ নেই। রেলওয়ের লক্ষ কোটি টাকার সম্পদ মন্ত্রী-সচিবসহ কতিপয় উর্ধতন কর্মকর্তার যোগসাজসে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে বহিরাগত গোষ্ঠীর হাতে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এই লাভজনক প্রতিষ্ঠানটিকে কতিপয় কর্মকর্তার লুটপাটের কারণে প্রতি বছর অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রমাণ করার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

তারা বলেন, রেল জনগণের সম্পদ এই সম্পদকে বাঁচাতে হলে প্রথমেই রেলওয়ে কর্মচারী ও রেল পোষ্যদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রেলওয়ে কর্মচারী ও পোষ্যদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে রেল রক্ষার আন্দোলনকে জাতীয় আন্দোলন হিসেবে রূপরেখা প্রদান করতে হবে।

সমাপনী বক্তব্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির বলেন, বিধিমালা ২০২০ একটি স্বৈরাচারী নিয়োগবিধি। এই নিয়োগবিধি দ্রুত সংশোধন করে কর্মচারী বান্ধব নিয়োগ বিধির মাধ্যমে জনবল নিয়োগ করতে হবে।

ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগ বিধিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির ৮ দফা দাবী মেনে না নিলে রেলওয়ের সকল শ্রমিক কর্মচারী ও রেলপোষ্যদের সম্মিলিত করে অচিরেই রেলভবনকে কেন্দ্র করে কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ