শিরোনাম
◈ আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে শেখ হাসিনার আবেদন ◈ কর্ণফুলী নদীতে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল-স্টেইড সেতু ◈ যান্ত্রিক ত্রুটি সারানো হয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যে নারিতা ছাড়বে প্রধানমন্ত্রীর বিমান ◈ প্রথম সেটে ধাক্কা, ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সোনা জয় ◈ কে এই তাহসিফ সাউরি, তাকে নিয়ে কেন এত আলোচনা? বিমানবাহিনী থেকে অবসর কেন? ◈ বাসা থেকে তাহসিফকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মুখ খুললেন দীপ, মিলল সিসিটিভি ফুটেজ ◈ মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে হা‌রি‌য়ে জু‌নিয়র বিশ্বকা‌পের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ◈ কারিগরি ত্রুটিতে টোকিওতে আটকে গেল প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব ◈ কলড্রপ, দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ধীরগতির ইন্টারনেট নিয়ে বিটিআরসিতে ১১ হাজারের বেশি অভিযোগ ◈ বড় জয়ের রাতে কেইনকে সম্মাননা বায়ার্নের

প্রকাশিত : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৪৫ রাত
আপডেট : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৫৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বারিধারায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার কিশোরের জামিন

রাজধানীর বারিধারায় দ্রুতগতির প্রাইভেটকার চাপায় নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মিমের (২৪) মৃত্যুর ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার ১৭ বছর বয়সি কিশোরের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শুনানি শেষে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক মো. আবদুল মোক্তাদির দুই হাজার টাকার মুচলেকায় এই জামিনের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ উদ্দীন মামুন জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুনানিকালে কিশোরটির পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিনের আবেদন জানান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ওই কিশোরের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

Advertisement

এর আগে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান-১২ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে হাজির করা হলে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মিম। এ সময় একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার ফুটপাতে উঠে তাকে পিষে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার পর পরই চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরকে উপস্থিত জনতা হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে তার চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে সেই মামলায় গাড়ি চালক হিসেবে আকাশ মারক নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হলেও গাড়ির চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হলে ২৩ সেপ্টেম্বরই গুলশান থানা পুলিশ ওই কিশোরকে পুনরায় নিজেদের হেফাজতে নেয়।

  • সর্বশেষ