শিরোনাম
◈ মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিব কে হবেন, মন্ত্রিসভায় কারা আসছেন? ◈ বিয়ের পর ইসলাম গ্রহণের গুঞ্জন, সত্যটা জানালেন রবার্তো কার্লোস ◈ রাজধানীতে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, নারীসহ গ্রেপ্তার ৫৪ ◈ এলএনজি কার্গো সংকটে মহেশখালীর এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে নতুন চাপ ◈ দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান থেকে স্মার্ট গ্রিড—জ্বালানি খাতে সরকারের ১০ বছরের রূপরেখা ◈ বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, চার থেকে পাঁচবার আবেগে ভেঙে পড়েন, চাইলেন ক্ষমা  (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশকে জ্বালানি সহযোগিতার আশ্বাস কাতারের প্রধানমন্ত্রীর ◈ বৃহস্পতিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায় ◈ হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল অডিও কল নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী(ভিডিও) ◈ রাজধানীতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করতেন ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া!(ভিডিও)

প্রকাশিত : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০২:১৪ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাদক সেবন করিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ, মানতে না পেরে চলে গেলেন কিশোরী

রাজধানীর মহাখালীতে গত ১৫ জুলাই ১৩ বছরের কিশোরী সিমির আত্মহত্যার ঘটনায় সামনে আসছে একের পর এক প্রশ্ন। পরিবারের অভিযোগ, জোরপূর্বক মাদক সেবন করিয়ে ধর্ষণ, নির্যাতন ও ভিডিও ধারণ করে সিমিকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে। সিমিদের বাসায় সাবলেট থাকা সাইদুর-টুম্পা দম্পতির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তাদের। 

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, মৃত্যুর আগে সিমি, তার মা ও এক স্বজন বনানী থানায় গিয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ জানালেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তবে, বনানী থানা পুলিশের দাবি, সিমির মৃত্যুর আগে তাদের কাছে কেউ এমন অভিযোগ দিতে আসেনি।

গত ১৫ জুলাই মহাখালীর একটি ভবনের ষষ্ঠ তলায় মায়ের সঙ্গে থাকা অবস্থায় আত্মহত্যা করে সিমি। এর আগে গত এপ্রিল মাসে ভবনের ম্যানেজারের মাধ্যমে দুই সন্তানসহ সাইদুর ও টুম্পা দম্পতি ওই বাসায় সাবলেট হিসেবে ওঠেন।

পরিবারের ভাষ্য, তারা বাসায় ওঠার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করে। ১ মে সাইদুর দম্পতি বাসা ছেড়ে যাওয়ার পর সিমির আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন তার মা। একই সময়ে বাসা থেকে টাকা খোয়া যাওয়ার ঘটনাও ঘটতে থাকে।

সিমির মা বলেন, বাসা সাবলেট দেওয়ার পর ওদের নানা অনিয়মের কথা জানতে পারি। তারা বাসা ছাড়ার পর থেকেই ঘর থেকে টাকা খোয়া যেতে শুরু করে। পরে স্বজনদের চাপের মুখে কিশোরী সিমি জানায়, তাকে হুমকি দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হতো।

পরিবারের দাবি, পরে সিমিকে বনানী থানায় নিয়ে যাওয়া হলে সে সেখানে ঘটনার বিস্তারিত জানায় এবং নির্যাতনের কথাও বলে। সিমির মা বলেন, পুলিশ কর্মকর্তা তাদের কথা বিস্তারিত শোনেন। এরপর অভিযুক্তের ছবি দেখানো হলে পুলিশ পরদিন থানায় আসতে বলে।

তবে পরদিন থানায় যাওয়ার বিষয়ে ফোন করে জানতে চাইলে তাদের যেতে নিষেধ করা হয় বলে দাবি করেন সিমির মা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বনানী থানায় যোগাযোগ করা হলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে মুঠোফোনে তারা জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। একইসঙ্গে সিমির মৃত্যুর আগে থানায় উপস্থিত হয়ে মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে পুলিশ।

এদিকে, বাসা ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে সাইদুর ও টুম্পা দম্পতির আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পরিবার। অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কোনো তথ্য যাচাই না করেই বাড়ির ম্যানেজার সাইদুরকে সাবলেট হিসেবে বাসা ভাড়া দিয়েছিলেন।

সিমির আত্মহত্যার ঘটনায় করা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ এবং পুলিশের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগগুলোর বিষয়ে আরও পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যাবে। উৎস: আরটিভি অনলাইন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়