শিরোনাম
◈ সমন্বিত উদ্যোগে দুই মহাসড়কে কমেছে যানজট, ফিরছে স্বস্তি ◈ লিমন–বৃষ্টি নিখোঁজের পর বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত কি করেছিল সন্দেহভাজন খুনি, গতিবিধিতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ চীন থেকে চোরাচালান: দুই বিদেশিসহ তিনজন কারাগারে ◈ গণমাধ্যমে অসত্য তথ্য, ড. ইউনূসের ভিভিআইপি মর্যাদা বাতিল হয়নি ◈ এআইতে করা প্রশ্ন কি সত্যিই গোপন থাকে?—বাস্তবতা, ঝুঁকি ও করণীয় ◈ বসুন্ধরা চেয়ারম্যানসহ পরিবারের ৪ সদস্যের বিদেশযাত্রার অনুমতি মেলেনি ◈ রাজধানীতে শতভাগ পাম্পে চালু হচ্ছে ফুয়েল পাস! ◈ ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প জোরদার করা হবে : অর্থমন্ত্রী ◈ বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসকে ছাড়িয়ে গেছে কয়লা ◈ আলোচনার টেবিলে আসার ইঙ্গিত, ট্রাম্পের প্রস্তাব পর্যালোচনায় ইরান

প্রকাশিত : ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০৬ সকাল
আপডেট : ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীন থেকে চোরাচালান: দুই বিদেশিসহ তিনজন কারাগারে

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার একটি বাসা থেকে চীন থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা বিপুল পরিমাণ মোবাইল ফোন, র‍্যাম ও নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় দুই চীনা নাগরিকসহ আটক তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন— চীনা নাগরিক ঝাং হাইবিন (৫০), ওয়াং গুওফেং (৫২) এবং তাদের দোভাষী মো. দেলোয়ার হাওলাদার (২৫)।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে আসামিদের তিনদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

রিমান্ড আবেদন সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ৩ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর সড়কের একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে ফ্ল্যাট থেকে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাসার ভেতর থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন, র‍্যাম এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

জব্দ করা মোবাইলগুলোর মধ্যে স্যামসাং গ্যালাক্সি সিরিজ ও আইফোন রয়েছে। এসব পণ্যের বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি আসামিরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন, চীন থেকে কৌশলে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে এসব পণ্য বাংলাদেশে এনে ঢাকার বিভিন্ন মার্কেটে বিক্রি করতেন।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, আটক দুই চীনা নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যুক্ত। তাদের দোভাষী হিসেবে কাজ করতেন অপর আসামি। আসামিদের সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালালে আরও চোরাচালানের পণ্য উদ্ধার এবং চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হতে পারে।

এ কারণে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়