নিউজ ডেস্ক: রাতের বেলা এক আমেরিকান যুবক ফুচকা ওয়ালার কাছে দৌড়ে আসলো। অনেকটা হাপাতে হাপাতে বললো...ভাই আমাকে কিছু ফুচকা দাও।
ততক্ষণে ফুচকাওয়ালা তার টং প্রায় বন্ধ করে ফেলেছে।সে এখন বিক্রি করতে পারবে না জানালো। তখন আমেরিকান যুবকটা তাকে অনুরোধ করে বললো, আমি প্রায় বাসার কাছ থেকে দৌড়ে ফেরত এসেছি। আমি ফুচকা নিয়ে না গেলে আমার গার্লফ্রেন্ড আমাকে বাসায় ঢুকতে দেবে না। তাই আমার রোজ বাসায় ফেরার সময় ফুচকা নিয়ে যেতে হয়।
ফুচকা তাও আবার আমেরিকা কেমন যেন গাঁজাখুরি লাগছে না গল্পটা?
কিন্তু গল্পটা সত্য। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের নাঈম পড়াশোনা করতে গিয়ে হঠাৎ করেই বিশাল মানের ফুচকাওয়ালা হয়ে বাংলাদেশি ফুচকা দিয়ে আমেরিকান মানুষদের দেওয়ানা করে ফেলেছেন। এখন লাইন ধরে দাড়িয়ে থেকে তার কাছ থেকে ফুচকা আর চটপটি কিনে খাচ্ছেন আমেরিকান রা। তিনি তার টংএর নামটাও রেখেছেন Bangali street foods. তার এই জনপ্রিয়তা নজর কেড়েছে নিউইয়র্ক টাইম নিউজের ও। খুব অল্প সময়ে ভ্যান্ডি প্রতিযোগিতায় রেখেছেন নিজের স্বাক্ষর।অপর দিকে HBO তে তাকে নিয়ে ফিচার ও হতে যাচ্ছে।
তার ফুচকা আর চটপটির এতই জনপ্রিয়তা যে তিনি এর অনেক গুলো শাখা খোলে ফেলেছেন রীতিমত।আর সেখানে কাজ করছেন প্রবাসী বাঙালি সহ ভীনদেশিরাও। ভীনদেশিরা আমাদের নাঈমকে না চিনলেও বাংলাদেশি খাবার ফুচকাকে ঠিকই চিনে রাখছেন। পরিচ্ছন্ন ভাবে খুব যত্ন সহকারে নিজের দেশের খাবার দিয়ে ভীনদেশে বসে তাদের ই মুগ্ধ করছেন নাঈম।
বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে আবারো পরিচয় করাতে যাচ্ছেন এই যুবক।
আমরা চাই এভাবেই ভাল ভাল কাজ দিয়ে সারা বিশ্বে পরিচিতি পাক আমাদের খুব প্রিয় এই ছোট দেশটি।
দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ। দেশ থেকে অনেক দূরে থেকেও দেশের নামকে বড় করার মত কাজ করার উদাহরণ টা আসলেই আমাদের আদর্শ হতে পারে।