শিরোনাম
◈ ম্যাকাই টেস্টে ভয়াবহ বিপর্যয়, ১২ রানেই ৫ উইকেট হারাল বাংলাদেশ ◈ ধেয়ে আসছে শক্তিশালী এল নিনো, ২০২৭ হতে পারে ইতিহাসের উষ্ণতম বছর ◈ স্থানীয় সরকারে মঈন খান: অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সামনে বড় পরীক্ষা ◈ ছাত্র অবস্থায় এমপি, দুই দশক পর প্রতিমন্ত্রী শামীম লিংকন ◈ দুই প্রতিমন্ত্রী এক মন্ত্রণালয়ে ◈ ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর মিছিল, ৬ মাসে ১০০ জনের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়  ◈ প্রথমবার পূর্ণমন্ত্রী হওয়া রশিদুজ্জামান মিল্লাতের রাজনৈতিক উত্থান যেভাবে ◈ মন্ত্রিসভায় রদবদলের প্রজ্ঞাপন জারি: কে কোন মন্ত্রণালয়ে ◈ শনিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ শ‌নিবার শুরু দ্বিতীয় টেস্ট, জিত‌লে ইতিহাস গড়বে  বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানো

প্রকাশিত : ২৪ জুন, ২০২৬, ০৭:৫৪ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সতর্কসীমায় তিস্তা-ধরলা-দুধকুমারের পানি, বন্যা ঝুঁকিতে কয়েক জেলা

অতিভারি বৃষ্টিতে এবং ভারতের বিভিন্ন অংশের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে প্লাবিত হতে পারে রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের বহু এলাকা। এমন আশঙ্কা ঘিরে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি প্রস্তুতি নিচ্ছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

ভৌগোলিক অবস্থান আর জলবায়ু সংকটে প্রতিবছরই কম-বেশি বন্যা কবলিত হচ্ছে দেশ। কখনও কখনও ভয়াবহ মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণ হয়ে উঠছে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

বন্যার এ বছরের পূর্বাভাসও খুব একটা স্বস্তির নয়। আগামী কয়েকদিন অতিভারি বৃষ্টির কারণে উজান থেকে নেমে আসা ঢলে রংপুর, সিলেট এবং ময়মনসিংহ বিভাগসহ দেশের মধ্যাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতর। 

 বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্লেষণে বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই এবার ভারী বৃষ্টির আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
 
এরইমধ্যে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা এবং দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সতর্কসীমায় পৌঁছেছে। কোথাও কোথাও দেখা দিচ্ছে ভাঙন। বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা এবং ময়মনসিংহের সোমেশ্বরীর পানি।
 
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ‘আগামী তিনদিন রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা এবং দুধকুমার নদীর অববাহিকায় লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলা এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।’
 
 এমন পরিস্থিতিতে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় আগাম ব্যবস্থা হিসেবে সরকারের পাশাপাশি প্রস্তুত হচ্ছে রেড ক্রিসেন্টের মতো সহযোগী সংস্থাগুলোও।
 
রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘বাংলাদেশে রেড ক্রিসেন্টের ৬৮টি ইউনিট রয়েছে। প্রত্যেক ইউনিটকে আমরা এ ধরনের পরিস্থিতির সম্পর্কে সজাগ রেখেছি। যথাসম্ভব তাদেরকে প্রস্তুতির জন্য অর্থ বরাদ্দ এবং ত্রাণ সামগ্রী দেয়া হয়েছে, যাতে তারা সঙ্গে সঙ্গে কাজে নেমে পড়তে পারে।’  
 
জুনের শেষভাগ থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং উজান মিলিয়ে সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়