শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নতুন নির্দেশ: খেলাপি ঋণ ও ঝুঁকি শনাক্তে তদারকি জোরদার ◈ দুই যুদ্ধ এক সুতোয়: ইউক্রেন-ইরান সংঘাতে বাড়ছে বৈশ্বিক ঝুঁকি—গার্ডিয়ান ◈ চাই‌নিজ তাই‌পে‌কে হা‌রি‌য়ে এশিয়ান গেমস হকির বাছাইপর্ব শুরু কর‌লো বাংলাদেশ ◈ সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে অফিস ৯টা–৪টা, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ দোকানপাট- শপিংমল: মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ◈ মার্চ মাসে রপ্তানি ঘাটতি ২০ শতাংশ ◈ ফুটপাত হকারমুক্ত করতে ঢাকায় ৮ নৈশ মার্কেট চালুর পরিকল্পনা ডিএসসিসির ◈ বিসিবি থে‌কে আরও এক পরিচালক পদত্যাগ করলেন ◈ হরমুজ সংকটে তেল-গ্যাস বাজার অস্থির, বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে: জাতিসংঘ ◈ মূল্যস্ফীতির চাপ, বিনিয়োগে স্থবিরতা—কঠিন বাস্তবতায় আসছে নতুন বাজেট ◈ বিকল্প রুটে জ্বালানি আমদানি, সৌদি আরব থেকে আসছে ১ লাখ টন তেল

প্রকাশিত : ২২ নভেম্বর, ২০২১, ১২:৪০ দুপুর
আপডেট : ২২ নভেম্বর, ২০২১, ১২:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতের আমেজে ফুটপাতে পিঠা বিক্রির ধূম

তৌহিদুর রহমান : শহরের বিভিন্ন রাস্তার ফুটপাতে জমে উঠেছে নানা রকমের পিঠার ব্যবসা। শীতের আবহাওয়ায় পড়ন্ত বিকাল থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত চলে এসব দোকানে বেচাঁকেনা। প্রতিটি দোকানেই থাকে নানা বয়সী ক্রেতাদের ভীড়। নিম্নবিত্ত থেকে মর্ধ্য বিত্তের লোকেরা ফুটপাত থেকে পিঠা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন তাদের বাসা-বাড়িতে।

বছরের অন্য সময় শহরের দুই/তিন স্হানের ফুটপাতে ভাসমান ব্যবসায়ীরা পিঠা বিক্রি করলেও শীত পড়ার সাথে সাথে বেড়েছে দোকানের সংখ্যা। বর্তমানে শহরের প্রধান প্রধান সড়কের ফুটপাত ছাড়াও পাড়া-মহল্লার মোড়ে দেখা মিলছে ভাসমান পিঠা বিক্রির।

সরজমিনে ঘুরে ও কথা বলে জানা যায়,মূলত শহরের নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষই তাদের প্রধান ক্রেতা। পৌর সুপার মার্কেট, সিটি সেন্টার, আধুনিক পৌর সুপার মার্কেট, কোর্ট রোড, মসজিদ রোড, হাসপাতাল রোড, কুমারশীল মোড়, সাবেরা সোবহান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সড়ক, রেলওয়ে ষ্টেশন রোড, কান্দিপাড়া মাদরাসা রোড, কাজীপাড়া জেলা ঈদগাহ ময়দান, ডাঃ ফরিদুল হুদা রোড, কাউতলী জেলা পরিষদের মার্কেটের সামনে সহ শহরের বিভিন্ন রাস্তার মোডের ফুটপাত ও শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার রাস্তার মোড়ে শীতের পিঠা বিক্রি হচ্ছে।

এসব দোকানে চিতই পিঠা, মেরা পিঠা (চোয়া পিঠা), ভাঁপা পিঠা, পোয়া পিঠা (তেলের পিঠা), পাটিসাপটা পিঠা বেশী বিক্রি হয়। তবে কনকনে এই শীতে ভাপা পিঠারই কদর বেশী। ক্রেতাদের অর্ডার অনুযায়ী খেজুরের গুড়, ধনেপাতা ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাঁপা পিঠা তৈরী করে দেয়া হয়। এছাড়া চিতই পিঠার সাথে ক্রেতাদেরকে সরিষার ভর্তা ও শুটকির ভর্তা দেয়া হচ্ছে। গরম গরম পিঠা পেয়ে ক্রেতারাও দারুন খুশী। প্রতিটি বড় ভাঁপা পিঠা ১০টাকা, চিতই পিঠা ১০টাকা এবং ছোট সাইজের চিতই পিঠা ৫ টাকা করে বিক্রি করা হয়।

পিঠা বিক্রেতা ছিদ্দিক মিয়া জানান, প্রতিদিন তিনি দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার পিঠা বিক্রি করেন। শীতকাল ব্যতীত বছরের অন্য সময়ে প্রতিদিন ৫/৬ কেজির চালের গুঁড়ার পিঠা বিক্রি হত। বর্তমানে ১০/১২ কেজি চালের গুড়ার পিঠা বিক্রি করতে পারেন। প্রতিদিন দুপুর ৩টার পর থেকে রাত ১০/১১টা পর্যন্ত চলে তার বেঁচা কেনা।সব খরচ বাদ দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৫০০/৬০০ টাকা লাভ হয়।

আরেক পিঠা বিক্রেতা জোৎসনা বেগম বলেন, এখানে চিতই ও ভাঁপা পিঠাই বেশী বিক্রি হয়। ধনে পাতা ও কাঁচা মরিচ এবং নারকেল-খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরী ভাঁপা পিঠার চাহিদাই বেশী। অনেকেই তার কাছ থেকে পিঠা কিনে বাসা-বাড়িতে নিয়ে যান। চিতই পিঠার সাথে ক্রেতাদের চাহিদানুযায়ী সরিষার ভর্তা ও শুটকির ভর্তা দেওয়া হয়। প্রতিদিন ৬/৭ কেজি চালের গুড়ার পিঠা বিক্রি করতে পারেন।

পিঠার ক্রেতা কলেজ পড়ুয়া ছাএ মো: শাওন বলেন, শীতের দিনে বাড়িতে মা-চাচীরা আমাদেরকে নানা রকমের পিঠা বানিয়ে খাওয়াতেন। হোষ্টেলে থাকায় তারা এখন মা-চাচীর হাতে তৈরী পিঠা খাওয়া থেকে বঞ্চিত। সুযোগ পেলেই তারা শহরের ফুটপাত থেকে চিতই পিঠা ও ভাঁপা পিঠা কিনে নিয়ে যান হোষ্টেলে।

আরেক ক্রেতা মোঃ শফিউল্লা বলেন, সরকারি চাকুরী করি, পরিবার-পরিজন নিয়ে ইচ্ছে করলেই গ্রামের বাড়িতে যেতে পারেন না। তাই প্রায়ই ফুটপাত থেকেই পিঠা কিনে বাসায় নিয়ে যান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়