শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের আগমন ঘিরে বরিশালে নেতাকর্মীদের ঢল, বেলস পার্ক মাঠে সাজ সাজ রব ◈ আজ তিস্তাপাড়ে যাচ্ছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ◈ “সাপ ও ভারতীয় একসঙ্গে পেলে আগে ভারতীয়কে মারো”: এপস্টেইন নথিতে কূটনীতিকের মন্তব্য ফাঁস ◈ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শীর্ষে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট ◈ ভোটার তালিকায় আজব কাণ্ড: এক বাবার ‘৩৮৯ সন্তান’ ◈ ভারতে বসে বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের ছক কষছেন নির্বাসিত আওয়ামী লীগ সদস্যরা: দ্য গার্ডিয়ান ◈ জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক, বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক ◈ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যে কারণে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত প্রার্থী (ভিডিও) ◈ সম্পদের হিসাবে শীর্ষে যে ১০ প্রার্থী: হলফনামার তথ্য ◈ নতুন আইসিসি গঠনের দাবি পা‌কিস্তা‌নের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের

প্রকাশিত : ১২ নভেম্বর, ২০২১, ০২:০০ রাত
আপডেট : ১২ নভেম্বর, ২০২১, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আরিফ জেবতিক: কেউ যদি অপহরণের পর ধর্ষণ করে ৭২ ঘণ্টা পরে অপহৃতাকে ছেড়ে দেয়, তবে কি মামলা হবে না?

,আরিফ জেবতিক
৭২ ঘণ্টা পর কোনো নির্যাতিত মানুষ তাঁর ওপর সংগঠিত যৌণ নির্যাতনের জন্য মামলা করতে পারবে নাÑআদালতের এই পর্যবেক্ষণের সাথে দ্বিমত পোষণ করছি। ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না, এটি একটি মেডিকেল ইস্যু। কিন্তু ধর্ষণ মামলায় শুধু মেডিকেল ইস্যুই একমাত্র বিবেচনায় আসবে কেন? কেউ যদি কাউকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে ৭২ ঘণ্টা পরে অপহৃতাকে ছেড়ে দেয়, তাহলে কি ধর্ষণের মামলা হবে না?

ধর্ষণে শুধু শারীরিক ক্ষতি হয় এমন নয়, এর সাথে গভীর মানসিক ক্ষতি জড়িত। ভিকটিম ভয়াবহ ট্রমার মধ্য দিয়ে যায়। আমাদের সামাজিক ট্যাবু এমন গভীর সেখানে কোনো ধর্ষিতা এমনটা ভাবতে পারেন না যে, শরীরের ওপর দিয়েই নির্যাতনটা গেলো, আমি সুস্থ হয়ে উঠবো। সুতরাং কারো মাথা ফাটিয়ে দেওয়া আর কাউকে ধর্ষণ করা, এই দুইজন নির্যাতিতের মানসিক ক্ষতি এক নয়। একজন নারী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর আদালতে তাঁকে চরিত্রহীনা হিসেবে প্রমাণ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়।
সুতরাং মামলা করার সাহস সঞ্চয় করা সহজ নয়। যারা ধর্ষিত হন, তাঁদের বেশিরভাগই ভালনারেবল বলেই নির্যাতনের শিকার হন। তাঁদের ব্যক্তিগত সামাজিক প্রভাব, আর্থিক সঙ্গতি ও সাপোর্ট নেটওয়ার্ক কম থাকে। সেরকম কেউ মামলা করতে হলে পরিবারের সাহায্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। সেই পরিবার এবং এই সমাজ তখন কালক্ষেপন করতে থাকে। সামাজিক মীমাংসার নাম বলেও অনেক সময় এসবকে দীর্ঘায়িত করা হয়।

এরকম অবস্থায় ধর্ষন মামলা গ্রহণের সময়সীমা ৭২ ঘণ্টায় বেঁধে দেওয়াটা পুনর্বিবেচনার জোরালো দাবি রাখে। প্রয়োজনে আইন সংস্কার করতে হবে, ব্যাখ্যাগুলো স্পষ্ট করতে হবে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই যাতে কোনো ধর্ষক আইনের মারপ্যাচে ছাড়া পেয়ে না যায়, সেটাই নিশ্চিত করতে হবে যেকোনো মূল্যে। লেখক: অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়