শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ বিভ্রাট কাটিয়ে সচল জাতীয় গ্রিড, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ◈ রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের ◈ হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের, ইরানের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান, ৫ বছরে ২ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ◈ চীনকে মোকাবিলায় মেগা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের, যে কারণে প্রতিবাদ করছে অরুণাচলের তরুণ প্রজন্ম ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ◈ নতুন বেতনকাঠামো: ১ নভেম্বর বকেয়াসহ বেতন পাবেন যারা, বঞ্চিত হবেন অনেকেই ◈ ইশরাকের আলোচিত মাদকবিরোধী অভিযানের পর গেন্ডারিয়ার ঘুন্টিঘরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ◈ মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, আইজিপির বক্তব্য ও অস্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ে যা বললেন তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ পুতিনের প্রাসাদ ঘিরে নতুন ১৫টি আকাশ প্রতিরক্ষা টাওয়ার, নিরাপত্তায় ৫০ স্থাপনা

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২১, ০২:৪৪ রাত
আপডেট : ০৮ অক্টোবর, ২০২১, ০২:৪৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজফার হোসেন: আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাটাই অনেক ক্ষেত্রে উপনিবেশবাদী

আজফার হোসেন : দেশে ও বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ও শিক্ষক থাকার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে বারবারই টের পেয়েছি, সনাতন ইংরেজি শিক্ষা এবং ইংরেজি সাহিত্যের চর্চা মোটেই কোনো নিরীহ বিষয় নয়, বরং সেই শিক্ষা ও চর্চা সাম্রাজ্যবাদের সাংস্কৃতিক লজিকের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত। তবে বিষয়টাকে আমি অদ্বান্দ্বিকভাবে হাজির করতে চাচ্ছি না মোটেই। সত্য, ওই ইংরেজি বিভাগগুলোতেও কিছু প্রতিরোধী বুদ্ধিজীবীরাও কাজ করেন। কিন্তু আফ্রিকার লেখক-অ্যাক্টিভিস্ট নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গোর বরাতে না বলে উপায় নেই যে, তৃতীয় বিশ্বের ইংরেজি বিভাগগুলো এখনো অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষুদে উপনিবেশের কাজ করে চলেছে। ব্যতিক্রম আছে অবশ্যই। তবে বাংলাদেশের ইংরেজি বিভাগগুলোর ক্ষেত্রেও ক্ষুদে উপনিবেশের কথাটা প্রযোজ্য।

কোনো কোনো ইংরেজি বিভাগে তথাকথিত ‘উত্তর-ঔপনিবেশিক’ তত্ত্ব পড়ানো হলেও সেখানে এখনো রয়ে গেছে ওইসব দেশি সাহেব ও মেমসাহেব, ওইসব ছাত্র ও শিক্ষক, যারা এখনো ইংরেজি নিয়ে দারুণ আত্মম্ভরিতা প্রকাশ করে। এছাড়া তো রয়েছে সাহিত্য পড়ার ও আলোচনার বুর্জোয়া নন্দনতাত্ত্বিক ও ঔপনিবেশিক কায়দা। তাদের নাক উঁচু স্বভাব এবং অহমিকা নিঃসন্দেহে হাস্যকর। আর ওই অহমিকার পর্দা ভেদ করে তারা কখনোই দেখতে পায় না যে, তারা কতোটা সাংস্কৃতিক ও মানসিক ক্রীতদাসত্বকে বরণ করেছে। ঔপনিবেশিক মতাদর্শগত আধিপত্য কীভাবে এমনকি অচেতনেও কাজ করে চলেছে, তার একটি যুৎসই ‘সিম্পটোম্যাটিক’ ক্ষেত্র হচ্ছে ওইসব ইংরেজি- ফোটানো ফুটানিমারা ইংরেজি বিভাগ। তবে অবশ্যই আলাদা করে ইংরেজি বিভাগ নিয়ে কথা বলাটা মোটেই যথেষ্ট নয়। বলা দরকার যে, আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাটাই তো অনেক ক্ষেত্রে দারুণভাবে উপনিবেশবাদী। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ