শিরোনাম
◈ কেরানীগঞ্জে সেলুনে ফরহাদকে কুপিয়ে হত্যা, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল হামলার দৃশ্য ◈ গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ তারেক রহমানকে ভারত কেন দুটি আমন্ত্রণ দিয়েছিল, জানাল দিল্লি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ১১.৪২ শতাংশ ◈ কূটনীতিক পরিচয়ে ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ পশ্চিমবঙ্গে মাদকের চেয়েও বিপজ্জনক বস্তু এখন গরুর মাংস ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৫৯৩ ◈ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি শুরু করল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ স্পীকারের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ : দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে সংসদীয় ককাস গঠনের ওপর গুরুত্ব

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২১, ০২:৪৪ রাত
আপডেট : ০৮ অক্টোবর, ২০২১, ০২:৪৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজফার হোসেন: আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাটাই অনেক ক্ষেত্রে উপনিবেশবাদী

আজফার হোসেন : দেশে ও বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ও শিক্ষক থাকার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে বারবারই টের পেয়েছি, সনাতন ইংরেজি শিক্ষা এবং ইংরেজি সাহিত্যের চর্চা মোটেই কোনো নিরীহ বিষয় নয়, বরং সেই শিক্ষা ও চর্চা সাম্রাজ্যবাদের সাংস্কৃতিক লজিকের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত। তবে বিষয়টাকে আমি অদ্বান্দ্বিকভাবে হাজির করতে চাচ্ছি না মোটেই। সত্য, ওই ইংরেজি বিভাগগুলোতেও কিছু প্রতিরোধী বুদ্ধিজীবীরাও কাজ করেন। কিন্তু আফ্রিকার লেখক-অ্যাক্টিভিস্ট নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গোর বরাতে না বলে উপায় নেই যে, তৃতীয় বিশ্বের ইংরেজি বিভাগগুলো এখনো অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষুদে উপনিবেশের কাজ করে চলেছে। ব্যতিক্রম আছে অবশ্যই। তবে বাংলাদেশের ইংরেজি বিভাগগুলোর ক্ষেত্রেও ক্ষুদে উপনিবেশের কথাটা প্রযোজ্য।

কোনো কোনো ইংরেজি বিভাগে তথাকথিত ‘উত্তর-ঔপনিবেশিক’ তত্ত্ব পড়ানো হলেও সেখানে এখনো রয়ে গেছে ওইসব দেশি সাহেব ও মেমসাহেব, ওইসব ছাত্র ও শিক্ষক, যারা এখনো ইংরেজি নিয়ে দারুণ আত্মম্ভরিতা প্রকাশ করে। এছাড়া তো রয়েছে সাহিত্য পড়ার ও আলোচনার বুর্জোয়া নন্দনতাত্ত্বিক ও ঔপনিবেশিক কায়দা। তাদের নাক উঁচু স্বভাব এবং অহমিকা নিঃসন্দেহে হাস্যকর। আর ওই অহমিকার পর্দা ভেদ করে তারা কখনোই দেখতে পায় না যে, তারা কতোটা সাংস্কৃতিক ও মানসিক ক্রীতদাসত্বকে বরণ করেছে। ঔপনিবেশিক মতাদর্শগত আধিপত্য কীভাবে এমনকি অচেতনেও কাজ করে চলেছে, তার একটি যুৎসই ‘সিম্পটোম্যাটিক’ ক্ষেত্র হচ্ছে ওইসব ইংরেজি- ফোটানো ফুটানিমারা ইংরেজি বিভাগ। তবে অবশ্যই আলাদা করে ইংরেজি বিভাগ নিয়ে কথা বলাটা মোটেই যথেষ্ট নয়। বলা দরকার যে, আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাটাই তো অনেক ক্ষেত্রে দারুণভাবে উপনিবেশবাদী। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ