শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালিতে নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করছে ইরান, এক জাহাজ থেকেই ২০ লাখ ডলার টোল আদায় ◈ কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইফতার আয়োজন ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ◈ ইরান যুদ্ধ বন্ধে চীনের তাড়া নেই যেই পাঁচ কারণে ◈ ইরানকে ঘিরে নতুন কৌশল: পাইপলাইন পরিকল্পনার কথা ইসরায়েলের ◈ ঈদের আগে প্রবাসী আয়ে চাঙা রিজার্ভ ◈ এপ্রিলে দিল্লি সফরে যেতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ◈ পদ্মা-যমুনা সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড ◈ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা, দেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান ◈ দূতাবাসের উদ্যোগে বাহরাইন থেকে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন ২৮২ প্রবাসী ◈ ৯০ কিমি গতির কালবৈশাখীর তাণ্ডব ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায়, বজ্রপাতে স্কুলছাত্র নিহত

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:৪৭ রাত
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:৪৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমিন আল রাশিদ: ই-কমার্স খাতে প্রতারণার অভিযোগে এর আগেও তো একাধিক লোক গ্রেপ্তার হয়েছে

আমিন আল রাশিদ: ইভ্যালির প্রধান নির্বাহীকে গ্রেপ্তার করা হলো কি না, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিচার কতোদিনে শেষ হবে। সে বিচারে তার কী সাজা হবে- এসব প্রশ্নের চেয়ে বড় প্রশ্ন, গ্রাহকরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন কি না। যদি না পান, তাহলে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী বা চেয়ারম্যানের ফাঁসি হলেও তাতে ভুক্তভোগীদের কিছু যায় আসে না। এখন প্রশ্ন উঠবে, মানুষ কেন ইভ্যালিতে পণ্য কিনতে গেলো? এটা অন্য প্রশ্ন, অন্য তর্ক। মানুষ সস্তায় পেলে বা বড় ধরনের ছাড় পেলে সেখানে দৌড় দেয়, এটাই স্বাভাবিক। আবার সবাই এসব অফারের প্রলোভনে পা দেয় না।

কিন্তু যারা পা দিয়েছেন এবং প্রতারিত হয়েছেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে সেই ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানো। গ্রাহকদের টাকা বা পণ্য কীভাবে ফেরত দেওয়া যায়, সে ব্যবস্থা করা। এর আগে যুবক, ডেসটিনির মতো প্রতিষ্ঠানের কর্তারা গ্রেপ্তার হলেও গ্রাহকরা টাকা ফেরত পায়নি। যদি তাই হয়, তাহলে এসব গ্রেপ্তারের অর্থ কী? কেউ তো ভয় পায় না। ই-কমার্স খাতে প্রতারণার অভিযোগে এর আগেও তো একাধিক লোক গ্রেপ্তার হয়েছে। কিন্তু প্রতারণা তো বন্ধ হয় না। কেন হয় না? ফেসবুক থেকে

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়