শিরোনাম
◈ জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭৮ জনের ২৪৯ জনই মুক্ত, যাচাই চলছে ২৯ জনের ◈ আপনি যার কথা বললেন, অসংলগ্ন এবং ভারসাম্যহীন কথাবার্তা বলা সম্ভবত তাঁর অভ্যাস: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ময়মনসিংহে ড্রামে লাশ: আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল, অটোরিকশা মালিককে হত্যার অভিযোগে শামীম গ্রেপ্তার ◈ রাড্ডায় ভাঙচুরে শাহ আলী থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও কোনোটিতেই বসেনি যানবাহন চলন্ত অবস্থায় ওজন মাপার যন্ত্র ডব্লিউআইএম স্কেল ◈ সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় পাবে না: মাহদী আমিন ◈ প্রবাসীরা ই-মেইলে অভিযোগ দিলেই সমাধান পাবেন ◈ স্টুডিওতে লুটপাটের পর ‍সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গ্রেট জব, বিএনপি জোস কাজ করছে’ ◈ ভুলের সুযোগে ইংল্যান্ডকে হারাল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

প্রকাশিত : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:২৪ সকাল
আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শয্যা ফাঁকা করোনা হাসপাতালে, ৮৫ শতাংশ শয্যায় রোগী নেই

নিউজ ডেস্ক: রোগীশূন্য হয়ে পড়ছে কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলো। গতকাল সারা দেশে করোনা হাসপাতালের সাধারণ শয্যার ৮৫ শতাংশ এবং নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের শয্যা (আইসিইউ) ৬২ শতাংশই ফাঁকা ছিল। শনাক্তের হার কমে আসায় হাসপাতালে কমেছে রোগীর চাপ। বাংলাদেশ প্রতিদিন

দেশে প্রতিদিনই কমছে করোনা শনাক্তের নমুনা টেস্টের সংখ্যা। গতকাল টেস্ট হয়েছে ৩১ হাজার ৭২৪টি। করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৭৪ জনের। সংক্রমণ হার ছিল ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ধীরে ধীরে কমছে সংক্রমণ হার। কমছে মৃত্যু হারও। গতকাল মারা গেছেন ৩৫ জন। মৃত্যু হার ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭৬৫ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২ হাজার ৭৪ জন। যা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর ১০ শতাংশ। বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৮ হাজার ৬৯১ জন অর্থাৎ ৯০ শতাংশ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন বাড়িতে। হাসপাতালে শয্যা ফাঁকা থাকলেও যাচ্ছেন না রোগীরা। রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে ৭১ শতাংশ সাধারণ শয্যা ফাঁকা, আইসিইউ শয্যা ফাঁকা ৫২ শতাংশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, ‘হাসপাতালে করোনা রোগীর চাপ কমে এসেছে। আইসিইউ এর চাপও কমেছে। প্রতিদিন ২০-৩০ জন সংকটাপন্ন রোগী ভর্তি হয় এই হাসপাতালে। আইসিইউয়ের জন্য প্রতিদিন দু-তিনজন যোগাযোগ করেন। আমরা প্রয়োজন মতো শয্যার ব্যবস্থা করতে পারছি। মৃত্যু হারও অনেক কমে এসেছে। প্রতিদিন ৪৬০-৪৮০ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকে।’ গতকাল কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ১৬৯টি শয্যার মধ্যে ১২৮টি শয্যাই ফাঁকা, ২৬টি আইসিইউ এর মধ্যে ফাঁকা ১৩টি। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ২৭৫টি সাধারণ শয্যার মধ্যে ফাঁকা ৯০টি। এই হাসপাতালে শয্যার চেয়েও বেশি রোগী ভর্তি ছিল গত মাসে। ১০টি আইসিইউ তে রোগী ভর্তি আছে। শেখ রাসেল গ্যাসট্রোলিভার হাসপাতালে ১৭৪টি শয্যার মধ্যে ১৬২টি ফাঁকা, ১৬টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে ১৩টি ফাঁকা। সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে ৯০টি শয্যার মধ্যে ৮১ শয্যা ফাঁকা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৮৭টি শয্যার মধ্যে ১৪৯টি শয্যা ফাঁকা। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৭৫টি শয্যার মধ্যে ৬৪টি ফাঁকা। জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে ২০১টি শয্যার মধ্যে ১৮০টি শয্যা ফাঁকা। রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে তিন হাজার ৯৬২টি শয্যার মধ্যে ২ হাজার ৮০৮টি শয্যা ফাঁকা, ৩৮২টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে ১৯৮টি ফাঁকা। ৪২৫টি এইচ ডিইউ শয্যার মধ্যে ২৫৯টি শয্যা ফাঁকা। রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে ১ হাজার ৬৩০ শয্যার মধ্যে ১ হাজার ২৯৯ শয্যা ফাঁকা। আইসিইউ শয্যা ৪৬৭টির মধ্যে ৩৯৭টি ফাঁকা।

জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য এবং বিএসএমএমইউ’র সাবেক উপাচার্য ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে টেস্ট বাড়ানো, টিকা দেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। টেস্ট করে আক্রান্তদের আলাদা করতে হবে। তাহলে একজন থেকে একাধিক ব্যক্তি করোনা সংক্রমিত হতে পারবেন না। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি ধীরে ধীরে কমছে টেস্টের সংখ্যা। টেস্ট কম হলে আক্রান্ত, পিক টাইম কিংবা ওয়েভ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া সম্ভব নয়।’

  • সর্বশেষ